আর্টিকেল articles

ইসলামী ছাত্রশিবিরের অবিরত পথচলার ৩৮ বছর

ইসলামী ছাত্রশিবিরের অবিরত পথচলার ৩৮ বছর

বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির একটি আলোক মশাল, তরুণদের হৃদয়ে আন্দোলিত তীব্র হাওয়া। ছাত্রশিবির একটি ইতিহাসের নাম। হাটি হাটি পা পা করে ৩৮ টি বছর অতিক্রম করে ৩৯ বছরে প্রবেশ করেছে ছাত্রশিবির নামক এ আদর্শিক সংগঠনটি। তরুণদের সৎ যোগ্য,দেশ প্রেমিক ও হেরার দ্যুতিতে উদ্ভাসিত নির্ভিক মানুষ গড়ার অদম্যস্পৃহা নিয়ে যার পদযাত্রা। এই কাফেলার চলার পরতে পরতে আল্লাহদ্রোহীদের

কিভাবে ছাত্রশিবিরের সদস্য হওয়া যায়?

শিবিরের সমর্থক হওয়ার জন্য সমর্থক ফরম আছে। কেউ শিবিরের লক্ষ্য উদ্দেশ্য ও কার্যক্রমকে সমর্থন করলে তিনি সমর্থক ফরম পূরন করে সমর্থক হতে পারেন। এরপরে কর্মী হওয়ার জন্য কিছু শর্ত রয়েছে সেগুলো পূরন সাপেক্ষে কর্মী হতে পারেন। শর্তসমূহ- যে সমর্থক সক্রিয়ভাবে দাওয়াতীকাজ করেন, কর্মী সভায় নিয়মিতভাবে যোগদান করেন, বায়তুলমালে এয়ানত দেন এবং ব্যক্তিগত রিপোর্ট রাখেন তাঁকে

ঐতিহাসিক ১১ মে: কুরআনের মর্যাদা রক্ষায় মাইলষ্টোন

ভূমিকা কুরআন আল্লাহর সৃষ্টির মাঝে অন্যতম। ধরার বুকে সবচেয়ে দামী। কুরআনের সংস্পর্শে এসে মানুষ অনেক দামী হয়েছে, আর সে কারণেই মানুষ আশরাফুল মাখলুকাতের আসনে সমাসীন হয়েছে। হয়রত ওমরের মত ইসলাম বিদ্বেষী ব্যক্তি কুরআনের সৈনিক হয়ে নিজের জীবনকে আল্লাহর রঙ্গে রঙ্গিন করেছেন, দ্বীনের ঝান্ডা হাতে তুলে নিয়ে দ্বীনকে বিজয়ী করতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন। আবার হয়রত

অশ্লীল সিনেমা, ইভটিজিং-প্রেক্ষিত পর্দা নিষিদ্ধের পায়তারা

প্রতিটি মানব জাতির থাকে স্বকীয় স্বাতন্ত্র অাভিজাত্য ও জীবনের মর্যাদা বোধ। যাকে ভিত্তি করে পরবর্তী প্রজন্ম বেঁচে থাকে বছরের পর বছর। এ ভিত্তি গড়ার চাইতে ভাঙ্গার কাজে চলতি প্রজম্ম লিপ্ত হলে সময়ের পরিক্রমায় সব নিঃশেষ হয়ে জীবনাচরনণে বিকৃতি ঘটে। আর এ স্বাতন্ত্র বোধ, আভিজাত্য ও মর্যাদা বোধকে রক্ষা বা বিকৃতি ঘটানোর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে শাসক

গ্রানাডা ট্র্যাজেডি: মুসলিম মিল্লাত এখনো সেই তিমিরেই

মুসলমানদের ইতিহাস তাদেরকে আবারো বিশ্বে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য নেতৃত্বের আসনে সমাসীন হওয়ার প্রেরণা যোগায়। মুসলমানরা জ্ঞান-বিজ্ঞান, ইতিহাস-ঐতিহ্যে সর্বকালের সেরা জাতি হিসেবে নিজেদেরকে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হয়েছিল। কিন্তু ইসলাম বিদ্বেষীরা মুসলমানদের জগৎজোড়া সকল যশ-খ্যাতিকে মাটিতে মিশিয়ে দিতে যুগে যুগে নানামুখী ফন্দি এঁটেছিল। তাদের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন হয়ে চলছে একের পর এক। সে পরিকল্পনার বাস্তবায়ন শুরু হয়েছিল অনেক আগেই।

সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে নিরন্তর অভিযাত্রা

১৯৭৭ সালের ৬ ফেব্রুয়ারী শহীদী কাফেলা বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের পথ পরিক্রমা শুরু হয়। স্বাধীনতা পরবর্তীতে ছাত্রসমাজ হতাশার তিমিরে যখন নিমজ্জিত ঠিক তখন দিকভ্রান্ত যুব সমাজকে হেরার আলোয় আলোকিত করে আগামীর প্রত্যাশিত সোনালী সমাজ বিনির্মানের প্রত্যয়ে ছাত্রশিবির তার প্রত্যয়দীপ্ত যাত্রা শুরু করে। মিথ্যা, কপটতা, মাদক, সন্ত্রাস, দুর্নীতি ও অনাচার আমাদের সমাজ ব্যবস্থাকে খামছে ধরছে। এই ঘুনে

নির্যাতন নিপীড়নের শিকার যারা

০১. দেলোয়ার হোসেন ২৫ জুলাই ২০০৯, আওয়ামী সন্ত্রাসী ছাত্রলীগের নির্মম আঘাতে বাম হাতের তিনটি আঙ্গুল বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় আলিয়া মাদ্রাসার মেধাবী ছাত্র শিবিরের সদস্য মৌলভীবাজার জেলা সভাপতি দেলোয়ার হোসেনের। পিতা ইমাম উদ্দিন ও মাতা আনোয়ারা বেগম এর তিন সন্তানের মধ্যে তিনি দ্বিতীয় সন্তান। বর্তমানে মৌলভীবাজারের কুসুমবাগে থাকেন। তিনি মৌলভীবাজার জেলার বড়লেখার মুহাম্মদপুর এলাকার স্থানীয় বাসিন্দা। ০২.

ছাত্রশিবিরের আট জন নেতার খোঁজ পাবে কি তার সাথীরা

ভূমিকা বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও আর্থসামাজিক প্রেক্ষাপটে আজ বিরাজ করছে এক ভয়াবহ গুমোট আবহাওয়া। আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোট সরকারের ক্ষমতা কুক্ষিগত করে রাখবার এক ঘৃণ্য চক্রান্তের বলী হচ্ছে সাধারণ মানুষ, বিশেষত বিরোধী মতাদর্শের মানুষ ও সংগঠনগুলো। এরই ধারাবাহিকতায় আজ বাংলাদেশের সবচেয়ে সক্রিয়, গতিশীল ও মেধাবী ছাত্র সংগঠন ইসলামী ছাত্রশিবিরের উপরও নেমে এসেছে অত্যাচারের খড়গ। ইসলামী ছাত্রশিবির বাংলাদেশের

Top