মাওলানা মওদুদী (র)

সম্পুর্ণ সূচীপত্র

পরিবিষ্ট-১

আল্লামা ইকবাল মাওলানা মওদূদীকে পাঞ্জাবে হিজরত করার আহ্বান জানান। এ ব্যাপারে তাঁর পক্ষ থেকে সাইয়েদ নাযীর নিয়াযী মাওলানার সাথে যে পত্র বিনিময় করেন, তার কয়েকটি নিম্নে দেয়া হলোঃ

(সাইয়েদ নাযীর নিয়াযীর নিকটে মাওলানার লিখিত পত্রের অনুলিপি)

তর্জুমানুল কোরআন

হায়দারাবাদ দাক্ষিণাত্য

১৭ই জমাদিউল উলা ১৩৫৬ হিঃ ২৬শে জুলাই ১৯৩৭।

মুহতারামী ও মুকাররামী আসসালামু আলায়কুম।

ইনায়েতনামা পেয়েছি। আমি কৃতজ্ঞ যে, আপনি স্পষ্ট ভাষায় আপনার মনোভাব ব্যক্ত করেছেন। আমিও খোলা মন নিয়ে কিছু কথা বলতে চাই। আমার জীবনের জন্যে আমি একটা লক্ষ্য ও কিছু মুলনীতি নির্ধারিত করে রেখেছি। খোদার ফযলে আমার মধ্যে এতটা দৃঢ়তা রয়েছে যে, যত বড় অসুবিধাই হোক না কেন, আমি আমার লক্ষ্য থেকে সরে পড়া এবং আমার মূলনীতির কোন রদবদল করা কিছুতেই পছন্দ করি না। এখন আমি যে সব অসুবিধার সম্মুখীন তার সবটুকুই আমার নিজস্ব আরোপ করা বাধ্যবাধকতার কারণেই। নতুবা এ বিপদের তুফান দূর হতে পারে। আমি যে বাধ্যবাধকতা আমার উপরে চাপিয়ে দিয়েছি তার মধ্যে এই যে, আমার নিজের জন্যে কারো কাছ থেকে কোন অর্থ সাহায্য চাইব না। দ্বিতীয় একটি এই যে, জাতীয় ও ধর্মীয় কোন খেদমতের পারিশ্রমিক নেয়ারও কোন চিন্তা করব না। তৃতীয় এই যে, এমন কোন মুনাফার লোভে নিজেকে জড়িত হতে দেব না, যা আমাকে দ্বীন ও মিল্লাতের স্বার্থে আপন বিবেচনা অনুযায়ী স্বাধীনভাবে কাজ করতে বাধা দেয়। (কিছু বাধ্যবাধকতা আরও আছে কিন্তু আলোচ্য বিষয়ের সাথে সংশ্লিষ্ট নয়।) এখন আপনি নিজেই বুঝতে পারেন যে, যে কথা আপনি বলেছেন তা গ্রহণ করা আমার জন্যে কত কঠিন। আমি আমার নিজের জন্যে একশ’ টাকা কেন একটি পয়সার সাহায্যও চাই না। আমার নিজস্ব খরচপত্রের জন্যে আমি একটি ব্যবসার কাজ শুরু করেছি। এটা আমি লাহোরেও করতে পারি। শাহী মসজিদে ইমামতি আমার জন্যে এক অপ্রত্যাশিত নিয়ামত। কাজ করার এর চেয়ে অধিকতার সুযোগ আর কি হতে পারে? কিন্তু পারিশ্রমিক নিয়ে ইমামতি করা আমার নিকট নাজায়েয না হলেও কঠিন মাকরূহ অবশ্রই। মুসলমানদের মধ্যে চারশ’ বছর যাবত এ বিষয়টি সর্বসম্মত ছিল যে, নামাযের ইমামতি করে এবং কোরআন শিক্ষা দিয়ে পারিশ্রমিক নেয়া জায়েয নয়। পরবর্তীকালে অবস্থার অবনতি তাকে জায়েয করে দিয়েছে। তখন থেকে এ উভয় পদমর্যাদা হেয় ও প্রাণহীন হয়ে পড়েছে। এ সত্যকে আমি ভালভাবে উপলব্ধি করি। এ জন্যে পারিশ্রমিক নিয়ে ইমামতি করা তো চিন্তাই করতে পারি না। তবে যদি বিনা পারিশ্রমিকে এ খেদমত আমার উপরে সুপর্দ করা হয়, তো মন-প্রাণ দিয়ে গ্রহণ করতে তৈরি আছি।

এখন রইল রাজনীতি থেকে দূরে থাকার কথা। এর জন্যে আমি মোটেই প্রস্তুত নই। আমি কোন তাৎক্ষণিক ভাবাবেগে চালিত হয়ে রাজনৈতিক চর্চার দিকে অগ্রসর হইনি। বরঞ্চ চিন্তা-ভাবনা করেই এ সিদ্ধান্তে পৌঁছেছি যে, এখন আমাকে নির্জন কোণ থেকে বেরিয়ে এসে কিছু করতে হবে। মুসলমান এখন চরম সঙ্কটে লিপ্ত রয়েছে। যাদের কাছ থেকে সঠিক পথ নির্দেশনা পাওয়ার আশা ছিল না তাদের কথা ছেড়ে দিন। যাদের থেকে সকল প্রকার আশা করা হয়েছিল আজ তারাও বুল নেতৃত্ব দিচ্ছেন। কংগ্রেসের আন্দোলনের প্রসার লাভ করার ফলে মুসলমানদের মহলে ভাঙ্গন ধরেছে। দৈনিক দল ত্যাগের খবর আসছে। জওয়াহেরলালের জাতি জনগণের মধ্যে দ্রুত তাদের প্রভাব বিস্তার করছে। ঝাঁসির নির্বাচন এ কথা সুস্পষ্ট করে দিয়েছে যে, মুসলিম জনমত কতখানি প্রভাবিত হয়েছে। এখন কংগ্রেস ও অকংগ্রেসের মধ্যে কত কম Margin রয়ে গেছে। মুসলিম নেতৃবৃন্দের বিবৃতি ও মুসলিম পত্র-পত্রিকার প্রবদ্ধাদি পাঠে আন্দাজ করা যায় যে, কত কম লোক রয়েছে যারা মুসলিম ভারতের সঠিক পজিশন বুঝতে পারেন এবং যাদের সামনে সঠিক পথ একেবারে সুস্পষ্ট। এমন অবস্থায় আপনি চিন্তা করুন, হাতে গণা যায় এমন কিছু লোক যারা রয়ে গেছে তাদের মধ্যে আবার একজনের নিজের উপর চাকরির বাধ্যবাধকতা চাপিয়ে নেয়া, এবং তাও দেড় দু’শ টাকার, কি করে সঙ্গত হতে পারে? যদি আমি তাকে সঙ্গত মনে করি তাহলে আমার লাহোর যাওয়ার কি প্রয়োজন? উসমানিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে আমার জন্যে চারশ’ টাকার পদ পাওয়া যাচ্ছে। তা কেন গ্রহণ করি না? আমি যে জন্যে লাহোরমুখী হতে চাই তা শুধু এই যে, আমার দৃষ্টিতে মুসলিম ভারতের সিদ্ধান্ত (যা এখন অতি আসন্ন) উত্তরাঞ্চলের তিনটি প্রদেশের শক্তির উপর নির্ভরশীল। আমি চাই যে, ঐ দারুল ইসলামের মধ্যে গিয়ে বসি এবং দেখি যে, ওখানে ইসলামের শক্তি বর্ধিত করার এবং তার থেকে কাজ নেয়ার কি কি সুযোগ লাভ করা যায়। এখান থেকে আন্দাজ করতে পারি না। ওখানে পৌঁছেই সুযোগের সন্ধানে থাকব। যে সুযোগই পাই, তার থেকে ফায়দা হাসিল করব। আমি এ ধরনের উপকার লাভের জন্যে আপন মন-মস্তিষ্ক ও হাত-পাকে একেবারে মুক্ত ও স্বাধীন রাখতেই চাই। কোন মূল্যেও এমন কোন বাধ্যবাধকতা গ্রহণ করতে পারি না, যা দ্বীন ও মিল্লাতের খেদমতের কোন সুযোগ থেকে উপকৃত হওয়ার পথে বাধা হয়ে দাঁড়ায়।

আশা করি আপনি আমার দৃষ্টিকোণ ভালোভাবে বুঝতে পেরেছেন। আমি যেসব অসুবিধার উল্লেখ আমার বিগত পত্রে করেছিলাম তার বিবরণ এই যে, তর্জুমানুল কোরআনের মাসিক খরচ প্রায় তিনশ’ টাকা। জনগণের মধ্যে এখন সংখ্যক এর গ্রাহক নেই যে, পত্রিকার ব্যয় তাদের চাঁদা দিয়ে চালানো যাবে। নিযাম সরকার ২৭৫ খানা করে খরিদ করেন। তার বদৌলতেই পত্রিকা চলছে। যদি আমি লাহোরে যাই তাহলে খুব সম্ভব ব্যক্তিগত খরচপত্র বহন করার সাথে সাথে পত্রিকাটির আর্থিক ক্ষতির বোঝাও আমাকে বহন করতে হবে। তা সামাল দেয়া আমার পক্ষে এক রকম অসম্ভব হয়ে পড়বে। এ সমস্যার সমাধান এভাবে হতে পারে যে, পাঞ্জাব আপনার-আপনাদের মাধ্যমগুলো ব্যবহার করে তর্জুমানুল কোরআনের প্রচার ও প্রসারের চেষ্টা করবেন। যদি আমি আশা করতে পারি না, পাঁচশ হ্রাক হয়ে যাবে, তাহলে আমি পত্রিকা সম্পর্কে নিশ্চিন্ত হয়ে যাব। আমি পত্রিকা থেকে কিছু নিতেই চাই না, কিন্তু আমার এতটুকুও সামর্থ্য নেই যে, তাকে আমি কিছু দিই।

আল্লামা ইকবালের সাথে নতুন ইসলামী সমাজ ব্যবস্থা গঠনের কাজে অংশ গ্রহণ করা আমার জন্যে সৌভাগ্যের বিষয়। সকল সম্ভাব্য খেদমতের জন্যে তৈরি আছি। কিন্তু এ ব্যাপারে কোন আর্থিক ভাতার আমার প্রয়োজন নেই।

খাকসার

আবুল আ‘লা।

(দ্বিতীয় পত্র)

তর্জুমানুল কোরআন, হায়দারাবাদ

১৩ই আগস্ট, ১৯৩৬

মুহতারামী ও মুকাররামী আসসালামু আলায়কুম।

আপনার পত্র ২য় আগস্ট পেয়েছি। আপনার পত্র অনুযায়ী দৃঢ় সংকল্প ও খোদার উপর ভরসা করেই হিজরত করব। লাহোরকে আমার শেষ বাসস্থান বানাবার সিদ্ধান্ত করেছি। কিছু অসুবিধা আছে, তার সমাধান করতে কিছু সময় অতিবাহিত হবে। এখান থেকে সমস্ত লটবহর স্থানান্তরিত করতে এবং আমার কিছু আর্থিক দেনা মিটিয়ে দিতে আমার যথেষ্ট অর্থের প্রয়োজন হবে। তর্জুমানুল কোরআনের কর্জএক হাজার টাকার বেশী আছে। তা পরিশোধ করতে হবে। লটবহর নিয়ে যেতে এবং ব্যবসা-বাণিজ্য এখানে গুটিয়ে লাহোরে নতুন করে শুরু করতেও প্রায় এক হাজার টাকার প্রয়োজন হবে। এ উদ্দেশ্যে আমার এক খণ্ড জমি এবং কিছু স্থাবর সম্পত্তি বিক্রি করতে চাই। আশা করি তিন চার মাসের মধ্যে এসব কাজ হয়ে যাবে। ইত্যবসরে আমি একবার লাহোর গিয়ে দেখব লাহোরে থাকতে হলে আমার কি ব্যবস্থা করা দরকার। আগামী রজব মাসের শেষ লাগাদ সফর করার ইচ্ছা আছে। চার-পাঁচ দিন দিল্লী অবস্থান করে রজবের শেষে অথবা শাবানের প্রারম্ভে লাহোর পৌঁছব। এ সুযোগে ইনশাআল্লাহ এটাও ঠিক হবে যে, কাদিয়ানীদের সম্পর্কে আমার কি লেখা উচিত। এ পর্যন্ত প্রকৃতপক্ষে এ বিষয়ে আমি বেশী পড়াশুনা করিনি। যা কিছু এ বিষয়ে জানতে পেরেছি তার উৎস নিছক বানী সাহেবের গ্রন্থ। কিন্তু গবেষণামূলক কিছু লেখার জন্যে তা যথেষ্ট নয়। লাহোরে যারা কাদিয়ানীবাদের উপর যথেষ্ট অভিজ্ঞতা রাখেন, তাদের সাথে পরামর্শ করে লেখার উপকরণ সংগ্রহ করব।

বিশেষঃ নাযীর নিয়াযী সাহেবের পত্রের অনুলিপি সংগ্রহ করা যায়নি।

খাকসার

আবুল আ’লা।

পরিশিষ্ট -২

আল্লামা ইকবালের প্রাইভেট সেক্রেটারী জনাব নাযীর নিয়াযীর পক্ষ মাওলানা মওদূদীর নিকট লিখিতপত্রঃ

২৫ ম্যাকলোড রোড, লাহোর

১৮ই এপ্রিল, ১৯৩৮ সাল

মুকাররমী আসসালামু আলায়কুম,

আশা করি আপনি আল্লাহ তায়ালার ফযলে ভালো আছেন। কিছুদিন আগে সাইয়েদ মুহম্মদ শাহ সাহেবের কাছ থেকে জানতে পারলাম যে, আপনি জামালপুর এসে গেছেন এবং শিগগির লাহোরও আসবেন। তখন থেকে ক্রমাগত আপনার প্রতীক্ষায় রয়েছি। ডঃ সাহেব বলেন যে, সত্যই যদি আপনার লাহোরে আসার ইচ্ছা থাকে, তাহলে সত্তর এসে পড়ুন যাতে সাক্ষাত হতে পারে।

আমার কথা এই যে, ডক্টর সাহেব কেবলার অবস্থা খুবই আশঙ্কাজনক। এক মুহূর্তেরও ভরসা নেই। কিন্তু এ কথা শুধু আপনি আপনার মধ্যেই সীমিত রাখবেন, কাউকে বলবেন না।

অতএব ভালো হয় যদি আপনি যত সত্তর পারেন চলে আসেন। ড. সাহেবের স্বাস্থ্যের জন্যে দোয়া করবেন।

আপনার অকপট

নিয়াযী

মাওলানা মওদূদীর জবাব

তর্জুমানুল কোরআন

দারুল ইসলাম, পাঠানকোট

২৩শে এপ্রিল, ১৯৩৮

মুহতারামী আসসরামুল আলায়কুম

আমার ওয়াদা মত যাবার প্রস্তুতি করছিলাম, এমন সময় হঠাৎ আল্লামার ইন্তিকালের খবর পেলাম। মন একেবারে ভেঙ্গে পড়ল। সবচেয়ে বড় দুঃখ আমার জন্যে এ হলো যে, কত বড় সুবর্ণ সুযোগ আমি হারিয়ে ফেললাম। যদি জানতাম, তাহলে সব কাজ ফেলে সঙ্গে সঙ্গেই পৌঁছে যেতাম। এ আমার নেহায়েত দুর্ভাগ্য মনে করি যে, তাঁর শেষ সাক্ষাৎ থেকে বঞ্চিত হলাম, যাঁর সমকক্ষ সম্ভবত আর কোথাও দেখতে পাব না।

মুহাম্মদ আলী (মাওলানা) এর এ হলো মুসলমানদের জন্যে দ্বিতীয় বৃহত্তম ক্ষতি এবং আমার মতে প্রথম ক্ষতি অপেক্ষা এ বৃহত্তর। আল্লাহর কি ইচ্ছা জানি না। দৃশ্যত তো আমরা এটাই মনে করছি যে, মুসলমান জাতিকে তাদের অকৃতজ্ঞতা ও অযোগ্যতার শাস্তি দেয়া হচ্ছে এভাবে যে, তাদের সর্বোত্তম ব্যক্তিকে এমন সময় তুলে নেয়া হচ্ছে যখন তাঁর প্রয়োজন ছিল সবচেয়ে বেশী। এখন গোটা হিন্দুস্তানের দিকে তাকিয়ে দেখলে তাঁর মত এমন কোন লোক নযরে পড়ছে না সাহায্যের জন্যে যার শরণাপন্ন হওয়া যেতে পারে। চারদিকেই অন্ধকার ছেয়ে আছে। একটা প্রদীপ টিমটিম করে জ্বলছিল তাও উঠিয়ে নেয়া হলো।

আমাকে যে জিনিস পাঞ্জাবে টেনে এনেছিল তা হচ্ছে ইকবালের সত্তা। আমি এ আশায় এখানে এসেছিলাম যে, তাঁর নিকট থেকে পথ নির্দেশনা লাভ করব। তাঁর নেতৃত্বে আমার পক্ষে যতটুকু সম্ভব ইসলাম ও মুসলমানদের জন্যে তা করব। এখন আমি এরূপ অনুভব করছি যে, এ ঝঞ্ছা বিক্ষুব্ধ সমুদ্রে আমি একেবারে একাকী রয়ে গেছি। মনের জীর্ণ অবস্থা চরমে পৌছেছে। শুধু এটা চিন্তা করে মনকে সান্ত্বনা দিচ্ছি যে, ‍”ইকবাল মৃত্যুবরণ করেছেন তো কি হয়েছে, আল্লাহ তো আছেন? সকলেই তো মরণশীল। চিরঞ্জীব শুধু সেই ‘হাইয়ুন ও কাইয়ুম’। তিনি যদি তোমার কাছ থেকে কোন কাজ নিতে চান তো তোমার সাহায্যের জন্যে অন্য কোন উপায়-উপকরণ করে দেবেন।”

প্রিয় ভাই আমার! আপনি শেষ পর্যন্ত আল্লামার নিকটে ছিলেন। আমার জন্যে যদি তিনি কোন কথা বলে গিয়ে থাকেন, তাহলে অবশ্যই তা আমাকে জানাবেন।

খাকসার

আবুল আ’লা

পুনঃ ভাবছিলাম যে, তাঁর উত্তরজীবীদের কাছে শোকবাণী পাঠাব। পরে মনে হলো তাঁর উত্তরজীজী (Survivors) তো আমরা সকলেই। আর আমরা সকলেই এ শোকে সান্ত্বনা পাওয়ার অধিকারী।

মাওলানা মওদূদী (রহঃ) এর জীবনপঞ্জী

১৯০৩ ২৫ শে সেপ্টেম্বর। হায়দারাবাদ দাক্ষিণাত্যের আওরংগাবাদ শহরে জন্ম।
১৯০৩-১৩ গৃহে প্রাথমিক শিক্ষা।
১৯১৪ এগারো বছর বয়সে মৌলভী পরীক্ষা পাশ।
১৯১৬ দারুল উলুম হায়দারাবাদে উচ্চ শিক্ষালাভের জন্যে ভর্তি।
১৯১৭ ভুপালে অবস্থান, অসুস্থ পিতার পরিচর্যা।
১৯১৮ পনেরো বছর বয়সে সাংবাদিকতার ক্ষেত্রে প্রবেশ। বিজনৌর থেকে প্রকাশিত ‘মদীনা’ পত্রিকার সম্পাদনা ভার গ্রহণ। খিলাফত আন্দোলন যোগদান।
১৯১৯ ‘আঞ্জুমানে ইয়ানতে নযরবন্দানে ইসলাম’ সংস্থার সক্রিয় সদস্য।
১৯২০ পিতার ইন্তিকাল। জব্বলপুরে দৈনিক ‘তাজ পত্রিকার সম্পাদনা ভার গ্রহণ।
১৯২১ দিল্লী গমন এবং হাদীস-তাফসীর-ফিকাহসহ অন্যান্য ইসলামী বিষয়ে জ্ঞান অর্জন এবং ইংরেজী ভাষা শিক্ষা।
১৯২২ জমিয়তে উলামায়ে হিন্দের মুখপত্র ‘মুসলিম’-এর সম্পাদনা ভার গ্রহণ।
১৯২৩ ‘মুসলিম’ বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর ভূপাল গমন এবং গভীর জ্ঞানার্জনে আত্মনিয়োগ।
১৯২৪ বছরের প্রারম্ভে দিল্লী গমন। মাওলানা মুহাম্মদ আলী এবং জমিয়তে উলামায়ে হিন্দের মাওলানা আহমদ সাঈদের পক্ষ থেকে যথাক্রমে ‘হামদর্দ এবং ‘আল জমিয়ত’ পত্রিকার সম্পাদনা ভার গ্রহণে আহ্বান।
১৯২৫ ‘আল জমিয়ত’ পত্রিকার সম্পাদনা-ভার গ্রহণ।
১৯২৭ চব্বিশ বছর বয়সে সর্বজন প্রশংসিত ‘আল জিহাদু ফিল ইসলাম’ গ্রন্থ প্রণয়ন।
১৯২৮ ভারতীয় কংগ্রেসকে সমর্থন করার প্রশ্নে জমিয়ত কর্তৃপক্ষের সাথে মতানৈক্য হওয়ায় ‘আল জমিয়ত’ পত্রিকা থেকে ইস্তফা দান।
১৯৩০ হায়দারাবাদ প্রত্যাবর্তন। দীনিয়াত (ইসলাম পরিরচিতি) গ্রন্থ প্রণয়ন।
১৯৩১ সারা বছর গ্রন্থ প্রণয়নের কাজে আত্মনিয়োগ।
১৯৩২ হায়দারাবাদ থেকে মাসিক ‘তর্জুমানুল কোরআন’ এর প্রকাশ।
১৯৩৩ ‘ইসলাম তহযীর আওর উসকে ওসুল ও মুবাদী’ নামক গ্রন্থ প্রণয়ন।

ইসলামী সংস্কৃতির মমর্কথা ও তাকদীরের তাকীকত গ্রন্থ প্রণয়ন।

১৯৩৩-৩৮ ইসলাম ও পাশ্চাত্য সভ্যতার দ্বন্দ্ব ও তাফহীমাত ১ম খণ্ড, ২য় খণ্ড গ্রন্থ প্রণয়ন।
১৯৩৪-৩৫ গ্রন্থ প্রণয়ন এবং ইসলামী দাওয়াত জনসমক্ষে তুলে ধরার সূচনা।
১৯৩৫ স্বামী-স্ত্রীর অধিকার ও ইসলামের দৃষ্টিতে জন্ম নিয়ন্ত্রণ গ্রন্থ প্রণয়ন।
১৯৩৬ আল্লামা ইকবালের সাথে পত্র বিনিময়ের সূচনা। আলীগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুরোধে একটি সার্বিক শিক্ষা কসড়া প্রণয়ন।
১৯৩৬-৩৭ ইসলাম পরিচিতি, সুদ ও পর্দা গ্রন্থ প্রণয়ন।
১৯৩৭-৩৯ লাহোরে আল্লামা ইকবালের সাথে সাক্ষাৎ। হায়দারাবাদ থেকে পাঞ্জাবে মাওলানার স্থানান্তরের জন্যে আল্লামা ইকবালের আহ্বান। ‘মুসলমান আওর মওজুদা সিয়াসী কাশমকাশ’ শীর্ষক প্রবন্ধাদির প্রকাশ।
১৯৩৭-৩০ ‘তরজামুল কোরআন’ পত্রিকা প্রকাশ।
১৯৩৮ ১৬ই মার্চ। হায়দারাবাদ থেকে পাঞ্জাবে স্থানান্তর। ‘দারুল ইসলাম’ পাঠানকোট-এর প্রতিষ্ঠা। ‘ইসলাম ও জাতীয়তাবাদ’ (‘মাসয়ালায়ে কওমিয়াত’) শীর্ষক বিপ্লবী ও আলোড়ন সৃষ্টিকারী প্রবন্ধাদির প্রকাশ।

খুতরাত হাকীকত সিরিজ) গ্রন্থ প্রকাশ।

১৯৩৯ ‘তাজদীদ ও এহইয়ায়ে দীন’, ‌’ইসলামী ইবাদত পর তহকীকী নযর’ এবং অন্যান্য মৌলিক গ্রন্থাবলীর প্রকাশ।

ইসলামের রাজনৈতিক মতবাদ ও ইসলামী ইবাদতের মর্মকথা গ্রন্থ প্রণয়ন।

১৯৪০ ইসলামী রাষ্ট্রব্যবস্থার খসড়া প্রণয়নের জন্যে মুসলিম লীগ কর্তৃক কমিটি গঠন এবং মাওলানাকে তার সদস্য মনোনয়ন। আলীগড় বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘ইসলামী হুকুমত কিস তরাহ কায়েম হুতি হ্যায়’- বিষয়ের উপর এক জ্ঞানগর্ভ ভাষণ দান যা গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয় এবং যা ইংরেজী ও বাংলা ভাষায় যথাক্রমে ‘The Process of Islamic Revolution’ এবং ‘ইসলামী বিপ্লবের পথ’ নামে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত।

ইসলামী রেনেসাঁ আন্দোলন, ইসলামী বিপ্লবের পথ ও এক আহম এস্তফতা গ্রন্থ প্রকাশ।

১৯৪১ ২৬শে আগস্ট। পঁচাত্তর জন লোক নিয়ে ‘জামায়াতে ইসলামী’র প্রতিষ্ঠা এবং মাওলানাকে তার আমীর নির্বাচিত।
কুরআনের চারটি মৌলিক পরিভাষা, ইসলাম ও জাহিলিয়াত, নয়া নেযামে তা’লিম, অর্থনৈতিক সমস্যার ইসলামী সমাধান ও একটি সত্যনিষ্ঠ দলের প্রয়োজন গ্রন্থ প্রণয়ন।
১৯৪২ ১৫ই জুন। জামায়াতের কেন্দ্রীয় অফিস লাহোর থেকে দারুল ইসলাম পাঠানকোট এ স্থানান্তরিত।
১৯৪২-৪৭ রাসায়েল ও মাসায়েল ও শান্তিপথ গ্রন্থ প্রকাশ।
১৯৪৩ বিশ্ববিখ্যাত তাফসীর ‘তাফহীমুল কোরআনের’ সূচনা। একমাত্র ধর্ম ও

ইসলামী আইনে মুরতাদের শাস্তি গ্রন্থ প্রণয়ন।

১৯৪৪ ইসলামের নৈতিক দৃষ্টিকোণ ও শিরকের হাকীকত গ্রন্থ প্রণয়ন।
১৯৪৪-৪৬ ইসলামী আন্দোলনকে সুসংগঠিত ও সুদৃঢ়করণ এবং তার প্রভাব বিস্তারের প্রাণপণ প্রচেষ্টা। বিভিন্ন গ্রন্থ ও সাময়িকীর প্রকাশ।
১৯৪৫ তাওহীদের হাকীকত
সমাজতন্ত্র ও ইসলাম।
১৯৪৬ সত্যের সাক্ষ্য ও ইসলামী দাওয়াত ও কর্মনীতি গ্রন্থ প্রকাশ।
১৯৪৭ ৩০শে আগস্ট। চতুর্দিকে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা-হাঙ্গামার ফলে এবং পাঠানকোট হিন্দুদের দ্বারা পরিবেষ্টিত হওয়ার পর পাঠানকোটের মুষ্টিমেয় মুসলমান অধিবাসী লাহোর হিজরত করতে বাধ্য হয় এবং জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় অফিস লাহোরে স্থানান্তরিত হয়। রিক্তহস্ত ও ছিন্নমূল মুহাজিরীনের পুনর্বাসনের জন্যে জামায়াত কর্তৃক বাস্তব পদক্ষে গ্রহণ। রেডিও পাকিস্তান থেকে ‘কুরবানী’ সম্পর্কে মাওলানার প্রথম বেতার ভাষণ।
১৯৪৭ জামায়াতে ইসলামীর দাওয়াত, ভাঙ্গা গড়া ও তাকওয়ার হাকীকত গ্রন্থ প্রকাশ।
১৯৪৮ পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার পাঁচ মাস পর থেকে পাকিস্তানে ইসলামী সমাজ ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম শুরু। ৬ই জানুয়ারী লাহোরে আইন কলেজে ভাষণ দিতে গিয়ে ইসলামী আইনের ভিত্তিতে রাষ্ট্র ব্যবস্থা কায়েমের দাবি পেশ। ৬ই মার্চ করাচী জাহাঙ্গীর পার্কে অনুষ্ঠিত জনসভায় ইসলামী শাসন ব্যবস্থার জন্যে ৪ দফা দাবি পেশ।

(এপ্রিল-সেপ্টেম্বরে) সারা দেশে ইসলামী শাসনের দাবিতে সভা-সমিতি এবং জনমত গঠনের অভিযান। সরকারের পক্ষ থেকে মাওলানার প্রতি মিথ্যা অভিযোগ আরোপ যে, ‘মাওলানা কাশ্মীরের জিহাদ হারাম বলেছেন’।

১২ই অক্টোবর মাওলানাকে কয়েকজন সহকর্মীসহ গ্রেফতার করে কারাগারে প্রেরণ।

ইসলামের জীবন পদ্ধতি, ইসলামী আইন, ইসলামী রাষ্ট্রে অমুসলিমদের  অধিকার, আযাদী কে ইসলামী তাকাযে ও মোতালেবায়ে নেযামে ইসলামী গ্রন্থ প্রকাশ।

১৯৪৯ ১২ই মার্চ। জামায়াতের আন্দোলনের ফলশ্রুতিস্বরূপ সরকার আদর্শ প্রস্তাব পাস করেন। দ্বিতীয় দিন মজলিসে শূরায় তার জন্যে সন্তোষ প্রকাশ। ৬ই থেকে ৮ই মে লাহোর তিনদিন ব্যাপী জামায়াতে ইসলামীর প্রথম নিখিল পাকিস্তান সম্মেলন অনুষ্ঠিত।
১৯৪৯-৫০ সুদ-২য় খণ্ড, ভূমি মালিকানার বিধান, জাতীয় মালিকানা ও পাকিস্তানী আোরাত দু-রাহে পর গ্রন্থ প্রণয়ন।
১৯৫০ ২৮ শে মে মাওলানা কারামুক্তি।

সারাদেশে জনসভায় বক্তৃতা দান। সরকার পক্ষ থেকে প্রস্তাবিত খসড়া শাসনতন্ত্র ইসলামী সম্মত না হওয়ায় তার বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ উত্থাপন এবং প্রত্যাখ্যানের দাবি।

১৯৫১ করাচীতে ঐতিহাসিক সর্বদলীয় উলামা সম্মেলন। সর্বসম্মতিক্রমে ২২ দফা শাসনতান্ত্রিক সুপারিশ গৃহীত। এ বছর নভেম্বর মাসে করাচীতে দ্বিতীয় নিখিল পাকিস্তান জামায়াতে ইসলামী সম্মেলন অনুষ্ঠিত।
১৯৫২ শাসনতন্ত্র প্রণয়নকারী গণপরিষদের কাছে ৮ দফা দাবি পেশ। ইসলামী শাসনতন্ত্রের জন্যে দেশব্যাপী আন্দোলন। কাদিয়ানীদেরকে সংখ্যালঘু সম্প্রদায় ঘোষণা করার দাবিতে করাচীতে সর্বদলীয় সম্মেলনে মাওলানার অংশগ্রহণ।
১৯৫৩ ফেব্রুয়ারী-সর্বদলীয় সম্মেলনের পক্ষ থেকে ‘ডাইরেক্ট অ্যাকশন’ ঘোষণা। মাওলানার প্রতিনিধির পক্ষ থেকে ডাইরেক্ট অ্যাকশনের বিরোধিতা ও সম্মেলন বর্জন। মাওলানা কর্তৃক ‘কাদিয়ানী সমস্যা’ শীর্ষক পুস্তিকা প্রণয়ন।
২৮শে মার্চ সামরিক আইনের অধীনে মাওলানার গ্রেফতার, মে মাসে সামরিক আদালতে মাওলানার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের। ১১ই মে সামরিক আদালত কর্তৃক মাওলানার মৃত্যুদণ্ড ঘোষণা। সারা বিশ্বে প্রচণ্ড বিক্ষোভ-প্রতিবাদের ফলে মৃত্যুদণ্ড মাওকুফ করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দান। পরে তা হ্রাস করে সাড়ে তিন বছর করা হয়।
১৯৫৫ নিছক আইনগত কারণে ২৯ মে এপ্রিল মাওলানার মুক্তি। নভেম্বর মাসে করাচীতে জামায়াতের তৃতীয় নিখিল পাকিস্তান সম্মেলন সম্মেলন অনুষ্ঠিত।
১৯৫৬ ইসলামী শাসনতন্ত্রের জন্যে দেশব্যাপী আন্দোলন। দু’মাসব্যাপী মাওলানার পূর্ব পাকিস্তান সফল। পূর্ব পাকিস্তানের সমস্যাবলীর প্রতি আলোকপাত।
১৯৫৭ মাছিগোটে জামায়াতের নিখিল পাকিস্তান সদস্য সম্মেলন অনুষ্ঠিত। মাওলানার ঐতিহাসিক ভাষণ প্রদান।
১৯৫৮ ৭ই অক্টোবর লাহোরে মুচী দরজার এক জনসভায় ভাষণ দানকালে সরকারের প্রতি মাওলানার সাবধানবাণী ঘোষণা। পরদিন সারা দেশে সামরিক শাসন জারি।
১৯৫৯ তাফহীমুল কোরআনের জন্যে কোরআনে বর্ণিত স্থানগুলো (আরদুল কোরআন) স্বচক্ষে দেখার উদ্দেশ্যে মধ্যপ্রাচ্য ভ্রমণ এবং হজ্জব্রত পালন। ভ্রমণে মুসলিম বিশ্বের ঐক্যের উপর বিশেষ জোর দিয়ে সর্বত্র ভাষণ দান।
১৯৬০ ডিসেম্বর। শাহ সউদের আমন্ত্রণে পুনরায় সউদী আরব গমন এবং মদীনা বিশ্ববিদ্যালয়ের খসড়া পরিকল্পনা পেশ।
১৯৬১ আইয়ুব খান কর্তৃক প্রবর্তিত পারিবারিক আইন অর্ডিন্যান্সের বিরুদ্ধে শাক্তিশালী আন্দোলন। আফ্রিকার মুসলমানদের আমন্ত্রণে ভ্রমণের উদ্যোগ নেয়ার পর অন্যায়ভাবে তা সরকারের পক্ষ থেকে বন্ধ করে দেয়া হয়। হাদীস অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে সংগ্রাম।
১৯৬২ মক্কা মুয়াযযমায় অনুষ্ঠিত বিশ্ব ইসলামী সম্মেলনে যোগদান। রাবেতায়ে আলমে ইসলামী সংস্থার প্রতিষ্ঠা। মাওরানা প্রতিষ্ঠা কমিটির আজীবন সদস্য নির্বাচিত।
১৯৬৩ লাহোরে নিখিল পাকিস্তান জামায়াতে ইসলামী সম্মেলনে উদ্বোধনী ভাষণ দানকালে মাওলানাকে লক্ষ্য করে গুলীবর্ষণ। জনৈক জামায়াত কর্মীর শাহাদাত বরণ। সম্মেলন পণ্ড করার সকল সরকারী প্রচেষ্টা ব্যর্থ।
১৯৬৪ ৪ঠা জানুয়ারী। জামায়াত বেআইনী ঘোষিত। কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরার সদস্যগণসহ মাওলানা গ্রেফতার।
১৯শে জানুয়ারী। জামায়াতের সকল রেকর্ডপত্র বাজেয়াপ্তকরণ। জামায়াতের বিরুদ্ধে সরকারী প্রচারণা তীব্রতরকরণ। ২৫শে সেপ্টেম্বর-সুপ্রীম কোর্টের রায়ে সরকারের পদক্ষেপকে আইন-বিরুদ্ধ ঘোষণা।
১৯৬৫ মদীনা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের বৈঠকে মাওলানার অংশগ্রহণের পূর্ব মুহূর্তে মাওলানার পাসপোর্ট বাজেয়াপ্তকরণ। ৬ই সেপ্টেম্বর ভারত কর্তৃক পাকিস্তান আক্রমণ। রেডিও পাকিস্তান থেকে ‘জিহাদের’ উপরে মাওলানার ক্রমাগত ছয়টি ভাষণ দান। জামায়াতের পক্ষ থেকে উদ্বাস্তুদের মধ্যে লক্ষ লক্ষ টাকার ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ।
১৯৬৬ লাহোরে সর্বদলীয় জাতীয় সম্মেলনে তাশখন্দ চুক্তির সমালোচনা। পূর্ব পাকিস্তান ভ্রমণ। রাবেতায়ে আলমে ইসলামীর বৈঠকে কাশ্মীর সম্পর্কে বহু তত্ত্ব ও তথ্যপূর্ণ আরবী ও ইংরেজী ভাষায় মাওলানার প্রণীত পুস্তিকা বিতরণ।
১৯৬৭ ঈদের চাঁদ দেখা নিয়ে মাওলানাসহ অন্য চারজন খ্যাতনামা আলেম গ্রেফতার।
১৯৬৮ চিকিৎসার উদ্দেশ্যে লন্ডন ভ্রমণ। ইংল্যান্ডে বসবাসকারী মুসলমানদের পক্ষ থেকে হিল্টন হোটেল লন্ডনে আয়োজিত সম্বর্ধনা সভায় মাওলানার ভাষণ।
১৯৬৯ রাজনৈতিক সমস্যা সমাধানের উদ্দেশ্যে আইয়ুব খান কর্তৃক আহূত গোল টেবিল বৈঠকে যোগদান। মরক্কো ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠা সম্মেলনে যোগদান।
১৯৭০ মাওলানার ঘোষণা অনুযায়ী সারা পাকিস্তানে “শওকতে ইসলাম দিবস” পালিত।
১৯৭২ ‘তাফহীমুল কোরআনের’ সমাপ্তি ও ষষ্ঠ খণ্ডের প্রকাশ। অবিরাম অসুস্থতার কারণে জামায়াতে ইসলামীর আমীরের দায়িত্ব থেকে ইস্তফা দান।
১৯৭৯ ২১শে মে। চিকিৎসার উদ্দেশ্যে আমেরিকা গমন।
৪ঠা সেপ্টেম্বর মূত্রাশয় অপারেশন।
২২শে সেপ্টেম্বর। পাকিস্তান সময় অনুযায়ী সন্ধ্যা পৌনে ছয়টায় ইন্তিকাল। (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজউন)

বিষয়ভিত্তিক মাওলানা মওদূদীর গ্রন্থপঞ্জী

অনুদিত বাংলা বইয়ের নাম পৃষ্ঠা মূল উর্দু বইয়ের নাম প্রকাশকাল
ক. কুরআন      
১. তরজমায়ে কুরআন মজীদ ১২৪৮ তরজুমায়ে কুরআন মজীদ ১৯৭৩ ঈসায়ী
২. তাফহীমুল কুরআন ১-১৯ খণ্ড ৪১৬৫ তাফহীমুল কুরআন ৬ জিলদ ১৯৪৩-১৯৭২
৩. তাফহীমুল কুরআনের বিষয়সূচি ৫৪০ মাওয়ুয়াতে কুরআনী
৪. কুরআনের চারটি মৌলিক পরিভাষা ১১৯ কুরআন কী চার বুনয়াদী ইসতেলার্হী ১৯৪১ ঈসায়ী
৫. কুরআনের মর্মকথা ৪৮ মুকাদ্দামায়ে তাফহীমুল কুরআন
খ. হাদীস/ দুরূহ
৬. সুন্নাতে রাসূলের আইনগত মর্যাদা ৩৩৬ সুন্নত কী আইনী হাইসিয়ত ১৯৬৩ ঈসায়ী
৭. কুরআনের মহত্ত্ব ও মর্যাদা ১৩৩ ফাযায়েলে কুরআন (হাদীস কী রোশনী মেঁ) ১৯৭৭ ঈসায়ী
গ. ইসলামী জীবন দর্শন
৮. ইসলামী পরিচিতি ১১২ রিসালায়ে দ্বীনীয়াত ১৯৬৩ ঈসায়ী
৯. তাওহীদ রিসালাত আখিরাত ৪৪ তাওহীদ রিসালাত আওর যিন্দেগী বা’দ
১০. ইসলামের জীবন পদ্ধতি ৫৫ ইসলাম কা নেযামে হায়াত ১৯৪৮ ঈসায়ী
১১. একমাত্র ধর্ম ৪৫ দ্বীনে হক ১৯৪৩ ঈসায়ী
১২. শান্তি পথ ২৭ সালামতী কা রাস্তা ১৯৪২ ঈসায়ী
১৩. ইসলামী সংস্কৃতির মর্মকথা ২৭৯ ইসলামী তাহযীব আওর উসকে উসুল ওয়া মুবাদী ১৯৩৩ ঈসায়ী
১৪. নির্বাচিত রচনাবলী ১-৩ খণ্ড ১৩৪৪ তাফহীমাত ১-৩ জিলদ ১৯৩৩-৩৮ ঈসায়ী
১৫. আল জিহাদ ৫৯২ আল জিহাদু ফিল ইসলাম ১৯২৮ ঈসায়ী
১৬. ইসলাম ও জাহেলিয়াত ৪৮ ইসলাম আওর জাহেলিয়াত ১৯৪১ ঈসায়ী
১৭. ইসলাম ও পাশ্চাত্য সভ্যতার দ্বন্দ্ব ২২৮ তানকীহাত ১৯৩৩-৩৮
১৮. ইসলামী জীবন ব্যবস্থার মৌলিক রূপরেখা ৩৮৪ ইসলামী নেযামে যিন্দেগী আওর উসকে বুনয়াদী তাসবিরাত
১৯. ইসলামী দাওয়াতের দার্শনিক ভিত্তি ৩২ ইসলাম আওর মাগরিবী লা দ্বীনী জমহুরিয়ত
২০. ইসলামের নৈতিক দৃষ্টিকোণ ৩২ ইসলাম কা আখলাকী নোকতায়ে নযর ১৯৪৪ ঈসায়ী
২১. ইসলাম ও জাতীয়তাবাদ ১১৯ মাসয়ালায়ে কাওমিয়াত ১৯৩৯ ঈসায়ী
২২. ইসলাম ও সমাজতন্ত্র ১৯৪৫ ঈসায়ী
২৩. ইসলাম ও সামাজিক সুবিচার ২৪ ইসলাম আওর আদলে ইজতেমায়ী
২৪. ইসলামে শক্তির উৎস ৬৭ ইসলাম কা ছের চশমায়ে কুঅত
২৫. কুরবানীর শিক্ষা ৪৮ ইসবাতে কুরবানী বিআয়াতে কুরআনী
২৬. ঈমানের হাকীকত ৪৮ হাকীকতে ঈমান ১৯৩৮ ঈসায়ী
২৭. ইসলামের হাকীকত ৪৪ হাকীকতে ইসলাম ১৯৩৮ ঈসায়ী
২৮. নামাজ রোযার হাকীকত ৬৫ হাকীকতে সাওম আওর সালাত ১৯৩৮ ঈসায়ী
২৯. হজ্জের হাকীকত ৪৮ হাকীকতে হজ্জ ১৯৩৮ ঈসায়ী
৩০. যাকাতের হাকীকত ৫৮ হাকীকত যাকাত ১৯৩৮ ঈসায়ী
৩১. জিহাদের হাকীকত ২৮ হাকীকতে জিহাদ ১৯৩৩ ঈসায়ী
৩২. তাকদীরের হাকীকত ১০২ মাসয়ালায়ে জবর ওয়া কদর ১৯৩৩ ঈসায়ী
৩৩. তাকওয়ার হাকীকত হাকীকতে তাকওয়া ১৯৪৭ ঈসায়ী
৩৪. শিক্ষা ব্যবস্থাঃ ইসলামী দৃষ্টিকোণ ১৩৩ তা’লীমাত ১৯৪১ ঈসায়ী
৩৫. শিরকের হাকীকত হাকীকতে শিরক ১৯৪৪ ঈসায়ী
৩৬. তাওহীদের হাকীকত হাকীকতে তাওহীদ ১৯৪৫ ঈসায়ী
ঘ. আইন, রাজনীতি ও রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থা
৩৭. ইসলামী আইন ৬৩ ইসলামী কানুন ১৯৪৮ ঈসায়ী
৩৮. ইসলামী রাষ্ট্র ৭০০ ইসলামী রিয়াসত ১৯৪৮ ঈসায়ী
৩৯. খেলাফত ও রাজতন্ত্র ২৯৪ খিলাফত ওয়া মুলুকিয়াত
৪০. ইসলামের রাজনৈতিক মতবাদ ৬৩ ইসরাম কা নযরিয়ায়ে সিয়াসী ১৯৩৯ ঈসায়ী
৪১. উপমহাদেশের স্বাধীতা
আন্দোলন ও মুসলমান ১-২ খণ্ড ৮৭৭ তাহবীরকে আযাদী হিন্দ আওর মুসলমান ১-২ জিলদ ১৯৩৮ ঈসায়ী
৪২. ইসলামী শাসনতন্ত্র প্রণয়ন ৮৬ ইসলামী দস্তুর কি দাতবীন
৪৩. ইসলামী শাসনতন্ত্রের মূলনীতি ৮৬ ইসলামী দসতুর কি বুনয়ার্দী
৪৪. মৌলিক মানবাধিকার ৩২ ইনসান কে বুনয়াদী হুকুম
৪৫. ইসলামী রাষ্ট্রে অমুসলিমদের অধিকার ৫০ ইসলামী রিয়াসত মে জিম্মীযুঁ কী হুকুক ১৯৪৮ ঈসায়ী
৪৬. দাক্ষিণাত্যের রাজনৈতিক ইতিহাস ২৮৬ দাককিন কী সিয়াসী তারীখ
৪৭. কুরআনের রাজনৈতিক শিক্ষা ৫৭ কুরআন কী সিয়াসী তা’লীমাত
৪৮. জাতীয় ঐক্য ও স্থিতিশীল গণতন্ত্র ২১ কাওমী ওয়াহদাত
৪৯. ইসলামী আইনে মুরতাদের শাস্তি ৬৮ মুরতাদ কী সাযা ১৯৪৩ ঈসায়ী
ঙ. ইসলামী আন্দোলন ও সংগঠন
৫০. ইসলামী দাওয়াত ও কর্মনীতি ৪৭ দাওয়াত ইসলামী আওর উসকা তারীক কার ১৯৪৬ ঈসায়ী
৫১. জামায়াতে ইসলামীর দাওয়াত জামায়াতে ইসলামী কা দাওয়াত ১৯৪৭ ঈসায়ী
৫২. ইসলামী রেনেসাঁ আন্দোলন ১২২ তাজদীদ ওয়া ইহইয়ায়ে দ্বীন ১৯৪০ ঈসায়ী
৫৩. জামায়াতে ইসলামীর জামায়াতে ইসলামী কা মাকসাদে
উদ্দেশ্য -ইতিহাস কর্মসূচী ৮০ তারীখ আওর লাযেহায়ে আ’মল ১৯৫১ ঈসায়ী
৫৪. আল্লাহর পথে জিহাদ ৩২ জিহাদুন ফী সাবীলিল্লাহ
৫৫. ইসলামী আন্দোলনের নৈতিক ভিত্তি ৬২ তাহরীকে ইসলামী কী আখলাকী বুনিয়াদী
৫৬. ইসলামী আন্দোলন : সাফল্যের শর্তাবলী ৬৪ তাহরীকে ইসলামী কামিয়াবী কা শারায়েত
৫৭. মুসলমানদের অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যতের কর্মসূচী ৭৮ মুসলমানুঁ কা মায়ী হাল মুসতাকবেল কে দিয়ে দায়েহায়ে আমল
৫৮. ইসলামী বিপ্লবের পথ ৫৬ ইসলামী হুকুমাত কিসতরাহ কায়েম হুতী হায় ১৯৪০ ঈসায়ী
৩৯. ইসলামী আন্দোলনের ভবিষ্যৎ কর্মসূচী ১৩৮ তাহরীকে ইসলামী কা আয়েনদাহ লায়েহায়ে আমল ১৯৪৭ ঈসায়ী
৬০. আন্দোলন সংগঠন কর্মী ২২৪ তাহরীক আওর কারে কুন
৬১. দায়ী ইলাল্লাহ দাওয়াত ইলাল্লাহ ৪২ দায়ী ইলামাহ দাওয়াত ইলাল্লাহ্
৬২. ভাঙ্গা ও গড়া ৩২ বানাও আওর বেগাড় ১৯৪৭ ঈসায়ী
৬৩. একটি সত্যনিষ্ঠ দলের প্রয়োজন ২৩ এক সালেহ জামায়াত কী জরুরত ১৯৪১ ঈসায়ী
৬৪. শাহাদাতে হুসাইন (রাঃ) ১৬ শাহাদাতে ইমাম হোসাইন (রা.)
৬৫. বিশ্ব মুসলিম ঐক্যজোট আন্দোলন ৪৩ ইত্তেহাদে আনমে ইসলামী
৬৬. সত্যের সাক্ষ্য ৪০ শাহাদাতে হক ১৯৪৬ ঈসায়ী
৬৭. আজকের দুনিয়ায় ইসলাম ৪২ ইসলাম আসরে হাযের মেঁ
৬৮. জামায়াতে ইসলামীর উনত্রিশ বছর ৫৪ জামায়াতে ইসলামী কা ঊনত্রিশ সাল
চ. অর্থনীতি ও ব্যাংক ব্যবস্থা
৬৯. ইসলামী অর্থনীতি ৩২৮ মায়াশিয়াতে ইসলাম
৭০. অর্থনৈতিক সমস্যার ইসলামী সমাধান ৩৮ ইনসান কা মায়াশী মাসয়ালা আওর উসকা ইসলামী হল ১৯৪১ ঈসায়ী
৭১. কুরআনের অর্থনৈতিক নির্দেশিকা ৩৮ কুরআন কী মায়া’শী তা’লীমাত
৭২. ইসলাম ও আধুনিক অর্থনৈতিক মতবাদ ১২৬ ইসলাম আওর জাদীদে মায়া’শী নযরিয়াত
৭৩. ইসলামী অর্থব্যবস্থার মূলনীতি ৩১ ইসলামী মায়া’শিয়াত কে উসুল
৭৪. সুদ ও আধুনিক ব্যাংকিং ৩০২ সুদ ১৯৩৬ ঈসায়ী
৭৫. ভূমির মালিকানা বিধান ৯৬ মাসয়ালায়ে মিলকিয়তে যমীন
৭৬. জাতীয় মালিকানা কওমী মিলকিয়ত ১৯৫০ ঈসায়ী
ছ. দাম্পত্য জীবন ও নারী
৭৭. পর্দা ও ইসলাম ২৮০ পর্দা ১৯৩৭ ঈসায়ী
৭৮. স্বামী স্ত্রীর অধিকার ১৫১ হুকুকুয যাওজাইন ১৯৩৫ ঈসায়ী
৭৯. ইসলামী দৃষ্টিতে জন্মনিয়ন্ত্রণ ১৩১ ইসলাম আওর যবতে বেলাদাত ১৯৩৬ ঈসায়ী
৮০. মুসলিম নারীর নিকট ইসলামের দাবী ২৪ মুসলিম খাওয়াতীন সে ইসলাম কে মুতালিবাত
জ. তাযকিয়ায়ে নফস
৮১. হিদায়াত ৫৫ হিদায়াত
৮২. ইসলামের বুনিয়াদী শিক্ষা ২৭৪ খুতবাত ১৯৩৮ ঈসায়ী
৮৩. ইসলামী ইবাদতের মর্মকথা ৮৮ ইসলামী ইবাদাত পর তাহকীকী নযর ১৯৩৯
৮৪. আত্মশুদ্ধির ইসলামী পদ্ধতি ৪৮ তাযকিয়ায়ে নফস
ঝ. সীরাত
৮৫. সীরাতে সারওয়ারে আলম ১-৫ খণ্ড ১২১৬ সীরাতে সরওয়ারে আলম ১-২ জিলদ্
৮৬. খতমে নবুয়্যত ৭৫ খতমে নবুওয়াত
৮৭. নবীর কুরআনী পরিচয় ৪০ কুরআন আপনে লায়ে ওয়ালে কো কেসরং মেঁ পেশ করতা হায়
৮৮. আদর্শ মানব ৩২ সরওয়ারে আলম কা আসলী কারনামা
৮৯. সাহাবায়ে কিরামের মর্যাদা ৪০ মাকামে সাহাবা
ঞ. সামগ্রিক
৯০. রাসায়েল ও মাসায়েল ১-৫ খণ্ড রাসায়েল ওয়া মাসায়েল ১-৫ জিলদ ১৯৪২-১৯৪৭
৯১. যুব সমাজের মুখোমুখি মাওলানা মওদূদী ৪৫০ তাসরীহাত
৯২. যুগ জিজ্ঞাসার জবাব ১-২ খণ্ড ৪৪৮ ইসতিফসালাত ১-২ জিলদ
৯৩. বিকেলের আসর ১-২ খণ্ড ২৫০ আসরী মাজালিস ১-২ জিলদ
৯৪. পত্রাবলী ১-২ খণ্ড ৪৫৫ মাকাতীব মাওলানা মওদূদী (র.) ১-২ জিলদ
৯৫. বেতার বক্তৃতা ৮৭ নশরী তাকরীরী
৯৬. খুতবাতুল হারাম খুতবাতুল হারাম
৯৭. পত্রালাপ মাওলানা মওদূদী ও মরিয়ম জামিলা মাওলানা মওদূদী আওর মরিয়ম জামিলা কে দরমিয়ান খত
৯৮. কাদিয়ানী সমস্যা কাদিয়ানী মাসয়ালাহ্ ১৯৫৩ ঈসায়ী

মাওলানা মওদূদী সম্পর্কে বাংলাভাষায় কয়েকটি বই

  বইয়ের নাম লেখকের নাম
১. বিশ্বের মনীষীদের দৃষ্টিতে মাওলানা মওদূদী আব্বাস আলী খান সম্পাদিত
২. মাওলানা মওদূদী আব্বাস আলী খান
৩. আলেমে দ্বীন মাওলানা মওদূদী আব্বাস আলী খান
৪. ইসলামের পুনরুজ্জীবনে মাওলানা মওদূদীর অবদান অধ্যাপক গোলাম আযম
৫. জামায়াতে ইসলামীর ইতিহাস আব্বাস আলী খান
৬. জামায়াতে ইসলামীর কার্যবিবরণী- ১ম খণ্ড
৭. জামায়াতে ইসলামীর কার্যবিবরণী -২য় খণ্ড
৮. সত্যের আলো মাওলানা বশীরুজ্জামান
৯. কুরআনের দেশে মাওলানা মওদূদী মুহাম্মদ আসেম
১০. মাওলানা মওদূদীর বহুমুখী অবদান আব্বাস আলী খান
১১. জামায়াতে ইসলামীর বিরোধিতার অন্তরালে আবুল কালাম মুহাম্মদ ইউসুফ
১২. আজাদী আন্দোলনে আলেম সমাজের ভূমিকা জুলফিকার আহমদ কিসমতী
১৩. ছোটদের মওদূদী শেখ আনসার আলী
১৪. মাওলানা মওদূদীর বিরুদ্ধে অভিযোগের জবাব মাওলানা আবদুল হাকীম
১৫. মওলানামওদূদীর বিরুদ্ধে অভিযোগের তাত্ত্বিক পর্যালোচনা মুফতী মুহাম্মদ ইউসুফ
১৬.  খেলাফত ও রাজতন্ত্র গ্রন্থ সম্পর্কে অভিযোগের জবাব বিচারপতি মালিক গোলাম আলী
১৭. মাওলানা মওদূদীকে যেমন দেখেছি অধ্যাপক গোলাম আযম

About আব্বাস আলী খান