ইসলামের নৈতিকতা ও আচরণ


Warning: Division by zero in /home/icsbook/public_html/wp-content/plugins/page-links-single-page-option/addons/scrolling-pagination/scrolling-pagination-functions.php on line 47

সম্পুর্ণ সূচীপত্র

১. স্থির পানি, গাছের ছায়া, জনসাধারণ যেখানে চলাচর করে এমন স্থানে বা সড়ক, কোন পশু-বাখি বা সরীসৃপ জাতীয় প্রাণীর বাস্থান হিসেবে ব্যবহৃত গহ্বর বা গর্ত এবং বাঁকিযে গেছে এমন স্থানে এস্তেঞ্জা করা নিষিদ্ধ। কারো কোনো প্রকার ক্ষতি করা অথবা ক্ষতির পরিবেশ সৃষ্টি করা চলবে না।
২. যেখানে কাউকে নগ্ন অবস্থায় দৃষ্টিগোচর হয় না এমন স্থানে এবং গোপন অবস্থায় এস্তেঞ্জা করতে হবে।
৩. এমন স্থানে বসা উচিত, যাতে নিজের গায়ে অথবা কাপড়-চোপড় ময়লা না লাগে।

মাসিক রক্তস্রাব এবং প্রসূতি কাল

[**৪]
মাসিক রক্তস্রাব ও প্রসূতি অবস্থা নারীর স্বাভাবিক ব্যাপার হিসেবে গণ্য। তার স্বাভাবিক জীবন যাপনে বাধা সৃষ্টি করা উচিত নয়। এই দু’টি পর্যায়ে মহিলাদেরক প্রতি নিম্নোক্ত বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়ে থাকেঃ
১. এ অবস্থায় নামাজ পড়া, রোজা রাখা, কুরআনে পাঠ এবং মসজিদে অবস্থান করা নিষিদ্ধ।
২. কাবা প্রদক্ষিণও নিষিদ্ধ। এমনকি হজ্ব করতে গিয়ে যে নারীর মাসিক হয়েছে, তার জন্যও। কাবা পরিক্রমা ছাড়া তারা হজ্ঝের অন্যান্য কার্যক্রম সম্পাদন করতে পারেন। পুরুষের বীর্য বের হওয়ার পর অপবিত্র থাকলেও এসব বিধি নিষেধ প্রযোজ্য।
[ **৪ রক্তস্রাব হচ্ছে জরায়ু থেকে সাময়িক রক্ত ও রক্তের ন্যায় তরল পদার্থের নিঃসরণ। এটা মহিলাদের ডিম্ব-উৎপাদন প্রক্রিয়ার একটি পর্যায়। এটা জরায়ুর চর্ম কঞ্চনের ফলে পরিভ্রষ্টতার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট। অনেক মেয়ের ১১ বছর বয়সে বা তার আগেই রক্তস্রাব শুরু হয়। আবার অনেকের ১৬ বছর বা তারও পরে হয়, তবে মূল সময়টি ১৩ থেকে ১৪ বছরের মধ্যে। এই রক্তস্রাবের মেয়াদকাল নিয়ে ব্যাপক পার্থক্য দেখা যায়। তবে অধিকাংশ খ্ষেত্রে তা ৩ থেকে ৫ দিন স্থায়ী থাকেঃ Encyclopedia Ameicana : Vol. 18. P. 636 ]
৩. এ সময় যৌন সঙ্গম নিষিধ্ধ। এ সময় স্বামী ইচ্ছা করলে তার স্ত্রীকে আলিঙ্গন, চুম্বন এবং কটিদেশের ওপর পর্য়ন্ত স্পর্শও করত পারেন।
৪. মাসিক শেষ হওয়ার পর নারীরা রোজা রাখতে পারে, তবে গোসল না করা পর্যন্ত নামাজ পড়তে পারবে না। গোসলের পর রমযাজেনর কাজা রোজাগুলো পূরণ করতে হবে, তবে কাজা হওয়া নামাজ পড়তে হবে না।
৫. প্রত্যেক মুসলিম মহিলার কর্তব্য হচ্ছে রক্তস্রাব বা প্রসূতির মেয়াদ শেশ হওয়ার পর গোসল করা এবং সারা শরীর ও চুল ধৌত করা। এসময় তা গোপনাঙ্গে একটি কাপড়ের সঙ্গে মৃগনাভি (মৃগনাভি না পাওয়া গেলে অন্য কোন প্রসাধনী) ব্যবহার করতে হবে। গোসলের পর মাডসিক প্রসূতি অবস্থায় আরোপিত সকল বিধিনিষেধ শেষ হয়ে যায়।
৬. মাসিক চলা অবস্থায় স্ত্রীর সাথে স্বাভাবিক আচরণ করা উচিত।
৭. যে নারীর মাসিক হয়েছে, তাকে শোকরানা অনুষ্ঠানে যোগদানের অনুমতি দেওয়া হয়। তবে অংশগ্রহণেল জন্য নয়; অবশ্য শর্ত হচ্ছে এই অনুষ্ঠান মসজিদে হবে না।

পুরুরে অপবিত্র অবস্থা

কোন মুসলমান পুরুষ ঘুমাবার কালে, বৈধ ভালবাসার প্রক্রিয়া অথবা অন্য কোন কারণে বীর্যপাতের দরুন অপত্রি হয়ে পড়লে তাকে খুব তাড়াতাড়ি গোসল করতে হবে। এ অবস্থায় গোসলের আগে নামাজ পড়া, কুরআন পাঠ বা স্পর্শ করা, কাবা শরীফ তাওয়াফ করা অথবা মসজিদে অবস্থান করা যাবে না।
মহিলাদের বেলায় একই বিধান প্রযোজ্য। কোন মহিলা ঘুমাবার কালে অথবা যৌন সঙ্গমের মাধ্যমে বীর্যপাত হওয়ার দরুণ অপবিত্র হলে অথবা স্বামী তার যৌনএঙ্গ লিঙ্গ প্রবেশ করালে, বীর্যপাত না হলেও তাকে গোসল করতে হবে এবং তাকে উপর্যুক্ত বিধি মানতে হবে।

% | % | % | % | % | % | % | % | % | % | % | % | % | % | % | % | % | % | % | % | % | % | % | % | % | % | % | % | % | % | % | % | % | % | % | % | % | % | % | % | % | % | % | % | % | % | % | % | % | % | % | % | % | % | % | % | % | % | % | % | % | % | % | % | % | % | % | % | % | % | % | % | % | % | % | % | % | % | % | % | % | % | % | % | % | % | % | % | % | % | % | % | % | % | % | % | % | % | % | % | % | % | % | % | % | % | % | % | % | % | % | % | % | % | % | সম্পুর্ণ বই এক পেজে »

About ড. মারওয়ান ইবরাহীম আল-কায়সি