মোদের চলার পথ ইসলাম

প্রথম অধ্যায়

ইসলামী আদর্শ

ও তার বৈশিষ্ট্য

 

ইসলাম শান্তির ধর্ম

ইসলাম স্বভাব ধর্ম

ইসলাম পূর্ণাঙ্গ জীবন বিধান

ইসলাম সকলের জন্য

ইসলাম আল্লাহর দেখানো পথ

সহজ সরল পথঃ ইসলাম

 

ইসলামী আদর্শ ও তার বৈশিষ্ট্য

দুনিয়ার মানুষকে তার প্রভু আল্লাহ যে পথ দেখিয়ে দিয়েছেন তার নাম ‘ইসলাম’। ইসলাম আমাদেরকে জানায় এ জীবনের উদ্দেশ্য কি, মানুষের জীবনের পরিণতি কি, এ দুনিয়ায় মানুষের মর্যাদা কতটুকু, দুনিয়ায় কি কাজ করতে হবে, কি কি কাজ আমাদের জন্য ক্ষতিকর, মানুষের জীবনের সফলতা কোন পথে। মোটকথা, আমাদেরকে জীবনের প্রকৃত পরিচয় জানিয়ে দেয় ইসলাম। আমাদের ব্যক্তিগত, সামাজিক, অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও আধ্যাত্মিক জীবন পরিচালনার জন্য সবচেয়ে সুন্দর উপায় বাতলে দেয় ইসলাম।

ইসলাম মানুষকে আল্লাহর দেখানো পথে পরিচালিত করে। ইসলামের শাব্দিক অর্থ হলো আত্মসমর্পণ অর্থাৎ নিজেকে বিলিয়ে দেওয়া। এর অর্থ আল্লাহর হুকুমকে মেনে নেওয়া, আল্লাহর হুকুম মেনে চললে মানুষের জীবনে নেমে আসে অনাবিল শান্তি। এ অর্থে ইসলাম হলো শান্তির ধর্ম।

ইসলাম শান্তির ধর্ম

আমাদের চারিদিকে –চাঁদ, সূর্য, গ্রহ, নক্ষত্র, পাহাড়, পর্বত, সমুদ্র, নদী, গাছপালা, পশু-পাখি সবকিছু এক সুন্দর নিয়ম মেনে চলছে –মেনে চলছে আল্লাহর বিধান। তাই তাদের মধ্যে কোন অশান্তি দেখিনা-দেখিনা কোন গড়মিল। প্রতিদিনের শুরুতে ঠিক পূর্ব দিক থেকে সূর্য উঠে এবং দিন শেষে ঠিক পশ্চিম দিকে অস্ত যায়। আসে রাত। চাঁদ উঠে আকাশে, তারারা হাসে রাতের আকাশে। আবার রাত কেটে যায়। ফুলেরা হাসে। বসন্তে গাছে গাছে সবুজ পাতার বাহার –এমনিভাবে প্রকৃতির সব কিছু এক সুন্দর নিয়ম মেনে চলছে। কেউ এ নিয়ম ভাঙ্গতে পারেনা। সকলেই আল্লাহর নিয়ম মানছে। সকলেই আল্লাহর নিয়ম মানতে বাধ্য।

কিন্তু মানুষের ব্যাপারটি একটু আলাদা। আল্লাহ আমাদেরকে দিয়েছেন জ্ঞান, দিয়েছেন ভাল ও মন্দ বিচার করার ক্ষমতা। শুধু তাই নয়, তিনি আমাদের জন্য পাঠিয়েছেন রাসূল ও কিতাব। এতো কিছুর পরেও আল্লাহ মানুষকে তাঁর আইন মানতে বাধ্য করে না। তাঁর আইন মানা না মানা পুরোটাই মানুষের ইচ্ছা। আর এভাবেই তিনি আমাদের পরীক্ষা করতে চান।

প্রকৃতির সকলেই মেনে চলছে আল্লাহর আইন। তাই প্রকৃতিতে বিরাজ করছে শান্তি ও শৃঙ্খলা। তেমনি আমরা যদি নবী ও রাসূলদের মাধ্যমে আমাদের কাছে যে পথের দিশা এসেছে তা মেনে চলি তাহলে আমাদের জীবনেও আসবে শান্তি ও সমৃদ্ধি। জীবনে এই শান্তি পেতে হলে আল্লাহর হুকুম ও আদেশ-নিষেধকে স্বেচ্ছায় মেনে নিতে হবে। সম্পূর্ণভাবে আত্মসমর্পণ করতে হবে আল্লাহর কাছে। আর তখনই আমাদের জীবনে নেমে আসবে শান্তি। আল্লাহর কাছে সসবকিছু সঁপে দেওয়ার নামই ‘ইসলাম’।

ইসলাম শুধু ব্যক্তির জীবনেও এই শান্তির পথ দেখিয়ে দিয়েছে। সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য ‘ইসলাম’ শিক্ষা দেয় –এসো সকলে মিলে সত্যের জন্য কাজ করি এবং অন্যায়কে নির্মূল করি।

দুনিয়য় মানুষের জীবনটা কয়দিনেরইবা। প্রত্যেক মানুষকে মরতে হবে। মৃত্যুর পর যে জীবন সে জীবনে মুক্তি ও শান্তির জন্য জীবনে আল্লাহর আইন মেনে চলতে হয়। এভাবে ইসলাম মানুষকে শুধু দুনিয়ায় নয় –দুনিয়ার পর যে অনন্ত জীবন আছে সেখানেও পথ দেখায়। কোরআন আমাদের তাই চাইতে শিখালো-

হে আমাদের রব, আমাদেরকে মঙ্গল দাও এই দুনিয়ায়, মঙ্গল দাও আখেরাতে এবং দোজখের আগুনের আজাব থেকে আমাদেরকে বাঁচাও।

সূরা বাকারা-২০১

ইসলাম স্বভাব ধর্ম

মানুষের স্বভাবটাই এমন যে সে সব সময় ভালকে পছন্দ করে, মন্দকে ঘৃণা করে। সত্য কথা বলা এ গুণটা সকলেরই পছন্দ, আবা মিথ্যা কথা বলা সকলের অপছন্দ। এমনি একজন মিথ্যাবাদী সে নিজেও চায় না সবাই তাকে মিথ্যুক বলুক। এইভাবে অন্যকে সাহায্য করা, অন্যের কষ্টের সময় তার পাশে দাঁড়ানো, পিতা-মাতার প্রতি ভাল ব্যবহার, বিনয়, সততা এসব সৎগুণ সব সময়ই মানব সমাজে প্রশংসিত। অন্যদিকে অন্যেল মনে কষ্ট দেওয়া, রুক্ষতা, পিতা-মাতার সাথে খারাপ ব্যবহার, হঠকারিতাকে সব সময় সকলে ঘৃণা করে। তাই আমরা বলতে পারি সত্যকে পছন্দ করা এবং মিথ্যাকে ঘৃণা করা মানুষের স্বভাব। কোরআনের ভাষায় সত্য হলো ‘মারুফ’ এবং মিথ্যা হলো ‘মুনকার’। ইসলাম ‘মারুফ’ প্রতিষ্ঠা করা ও ‘মুনকারকে উৎখান করার শিক্ষা দেয়। তাই আমরা বলতে পারি ইসলাম হলো মানুষের স্বভাব ধর্ম।

মানুষের শরীরটার দিকে তাকালে আমরা কি দেখতে পাই? দেখি তার মাতা, শিরা-উপশিরা, পেশিগুলো, হাত-পা, নাক, নাক, মোটকথা তার পুরো দেহটাই তাদের নিজ নিজ কাজ করে যাচ্ছে। আল্লাহ যাকে যা করার ক্ষমতা দিয়েছেন এবং যেভাবে তা করতে বলেছেন, সে সেইভাবে তা করে যাচ্ছে। এদিক দিয়ে মানুষের দেহটা আল্লাহর হুকুম মেনে যাচ্ছে। তার দেহের প্রতিটি অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ, অণু-পরমাণু আল্লাহর দেওয়া আইনের অনুসারী। হাত, পা, মুখ, মোটকথা তার পুরো দেহটা স্বভাবের দিক থেকে আল্লাহর আইনের অধীন। অর্থাৎ বলা যেতে পারে স্বভাব প্রকৃতির দিক থেকে তার দেহটা ‘মুসলমান’।

এখন যদি কেউ স্রষ্টাকে চিনে, তাঁকেই একমাত্র মনিব হিসাবে মেনে নেয় মোট কথা ইসলামকে মেনে চলে তাহলে বলা যায় সে স্বভাবের মূল দাবীই পুরণ করলো। তাই স্বেচ্ছায় ইসলাম মেনে নেওয়া মানুষের স্বভাব ধর্ম। আর ইসলামকে অস্বীকার করা নিজের স্বভাব ধর্মকে অস্বীকার করা।

ইসলাম পূর্ণাঙ্গ জীবন বিধান

এই দুনিয়ায় মানুষকে অনেক কাজ করতে হয়। ইসলাম সব কাজই কিভাবে আল্লহর নির্দেশ অনুযায়ী করতে হবে তা বলে দেয়। জীবনের এমন কোন দিক নেই যেদিকে আল্লাহর নির্দেশ কি তা জানা যায়নি। এমন কোন বিভাগ নেই যেখানে ইসলাম পথ নির্দেশ দেয়নি।

ব্যক্তি জীবনের, সমাজ জীবনের প্রতিটি দিক ও বিভাগে ইসলাম মানুষকে পথ দেখায়। সামাজিক, অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক, আন্তর্জাতিক প্রতিটি ক্ষেত্রে শান্তি ও সমৃদ্ধির জন্য কি করতে হবে তা কোরআন যেমন বলে দিয়েছে তেমনি আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) নিজে বাস্তবে তা দেখিয়ে দিয়ে গেছেন।

তাই ইসলাম একটি পূর্ণাঙ্গ জীবন বিধান। অন্যান্য মতবাদে আমরা দেখি জীবনের বিশেষ কোন একটি দিককে গুরুত্ব দেয়া হয়েছে। অনেক ধর্ম শুধু ব্যক্তির আত্মাকে সুন্দর করার কথা বলে। অনেক মতবাদ ‘অর্থ’কে বড় করে দেখে। কেউ আবার ভুল হোক সঠিক হোক নিজের ‘কওম’ টাকে বড় করে দেখাতে শেখায়। এসব মতবাদ হলো জীবনটাকে খণ্ড খণ্ড করে দেখার ফল। মানুষের পুরো ব্যক্তি ও সমাজ জীবনের জন্য এসব মতবাদ কোন সঠিক পথের দিশা দিতে পারেনা।

ইসলাম মানুষের জীবনটাকে এভাবে খণ্ড খণ্ড করে দেখেনা। ইসলাম মানুষের স্বভাবকে অস্বীকার করেনা।

দেখ কুরআন কি বলছে-

আর খাও এবং পান করো কিন্তু সীমা অতিক্রম করে যেও না।

সূরা আরাফ-৩১

হে নবী! বল আল্লাহর সে সকল সোন্দর্য ও অলংকার কে হারাম করেছে, যা আল্লাহ তাঁর বান্দাদের জন্য হালাল করেছেন এবং খোদার দেয়া পাক জিনিসগুলোকে (খাওয়া ও ব্যবহারের জন্য) কে তা নিষিদ্ধ করেছে?

সূরা আল আরাফ-৩২

ওদিকে ইসলাম মানুষকে একেবারে স্বাধীন ভাবে ছেড়ে দেয়নি। তার লোভ-লালসাকে নিয়ন্ত্রণে রাখার নিয়ম-কানুনও বলে দিয়েছে। তোমার লোভ-লালসা ও জুলুমে অন্যের ক্ষতি হবে এটা ইসলাম কখনও বরদাশত করেনা। মোটকথা, ইসলাম যেমন ব্যক্তিকে বঞ্চিত করেনা তেমনি সমষ্টিকেও বঞ্চিত করেনা। দুয়ের মাঝে এক সুন্দর ভারসাম্য রক্ষা করার পথ বাতলে দেয়। তাই ইসলামকে মানতে হলে পুরোপুরিভাবেই মানতে হয়। পবিত্র কোরআন বলেঃ

তোমরা পুরোপুরিভাবে ইসলামে দাখিল হয়ে যাও।

সূরা বাকারা-২০৮

জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে আল্লাহর বিধানকে মেনে চল।

ইসলাম সকলের জন্য

ইসলামের শিক্ষা বিশ্বের প্রতিটি মানুষের জন্য। ইসলাম বিশেষ কোন দেশ, জাতি বা বর্ণের জন্য নয়। ইসলাম হচ্ছে বিশেষ কতকগুলো গুণের নাম। যার মাঝেই সেই গুণের পরিচয় পাওয়া যায় সেই মুসলমান। সে যে কোনভাষা, যে কোন জাতি বা যে কোন বর্ণের হতে পারে।

ইসলাম যাকে সারা বিশ্বের প্রতিপালক হিসেবে স্বীকার করে সেই ‘আল্লাহ’ দুনিয়ার সকল মানুষের আল্লাহ। ইসলামের ‘নবী’ দুনিয়ার সকল মানুষের নবী।

এই দুনিয়ায় অনাচারের মূলে আছে মানুষে মানুষে বিভেদ। এক দেশের লোক অন্য দেশের লোকের উপর কর্তৃত্ব করতে চায়। এক বর্ণের লোক অন্য বর্ণের লোকের কোন অধিকারই স্বীকার করতে চায় না। তাই যে আইন তারা মানে তা স্বাভাবিকভাবেই এক তরফা। নিজের জন্য যা ঠিক তা অন্যের জন্য ঠিক নাও হতে পারে। নিজেদের জন্য যা সত্য, অন্যের জন্য মিথ্য। একই অপরাধের ফলে নিজ জাতির লোকের জন্য এক ধরনের বিচার-আচার, অন্য জাতির লোকদের জন্য অন্য ধরনের বিচার। ইসলাম মানুষে মানুষে এই বিভেদের প্রাচীর ভেঙ্গে ফেলে। ইসলামের চোখে সবাই সমান। ইসলাম মানবতাকে এক পতাকা তলে আনতে চায়। তাই হিংসা-বিদ্বেষে জর্জরিত এই পৃথিবীতে ইসলামই একমাত্র আশার আলো।

ইসলাম আল্লাহর দেখানো পথ মানুষের তৈরী মতবাদ নয়

ইসলমা সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হলো এটি আল্লাহর কাছ থেকে পাঠানো একটি আদর্শ। মানুষের মত মগজের তৈরী কিংবা সাধনার ফলে পাওয়া কোন মতবাদ নয়। এ কারণেই ইসলাম একটি স্বতন্ত্র মতবাদ।

পৃথিবীর কোন মানুষই মানবিক দুর্বলতা থেকে মুক্ত নয়। মানুষ বর্তমানের মধ্যেই সীমাবদ্ধ। ভবিষ্যতে কি ঘটবে সে তা জানেনা। নিজের পরিবেশের বাইরের খবরও তার জানা নেই। এ অবস্থায় মানুষ আন্তরিকভাবে চিন্তা-ভাবনা করলেও তার চিন্তা-ভাবনার ফসল সীমাবদ্ধই হবে।

মানুষ চিন্তা ভাবনা করে সাময়িক একটা সমস্যার সমাধান করতে পারে, কিন্তু মানুষের সকল সমস্যার প্রকৃত ও সঠিক সমাধান দিতে পারেনা। এদিক থেকে ইসলামের ব্যাপারটি সম্পূর্ণ আলাদা। আল্লাহ নিজেই এই মতবাদ নাজিল করেছেন। সেই আল্লাহ যিনি সমস্ত বিশ্বের মালিক, পালনকর্তা এবং রক্ষাকারী।

ইসলাম আল্লাহর কাছ থেকে পাঠানো বলেই এর মৌলিক বিশ্বাস ও ভিত্তিগুরো ধ্রুব সত্য। সকল মানুষ মিলে এমনকি দুনিয়ার সকল মুসলমানরা একত্র হয়েও এর সামান্য পরিবর্তন আনতে পারবেনা।

অবশ্য সব ধর্মই দাবী করে যে তা আল্লাহর কাছ থেকে পাঠানো ধর্ম। কিন্তু এটি ইতিসাহ থেকে প্রমাণিত যে, ইসলাম ছাড়া আর অন্য সব ধর্মই সময়ের সাথে সাথে পরিবর্তিত হয়েছে।

অন্যান্য সব ধর্মের অনুসারীরাই তাদের ধর্মের শিক্ষার মধ্যে পরিবর্তন এনেছে এবং সেই সাথে নিজেদের মতামত ও নতুন নতুন কথা যোগ করেছে। একথা তারা নিজেরাই স্বীকার করে। অন্যদিকে ইসলামের শিক্ষার মধ্যে আজ পর্যন্ত কোন পরিবর্তন আসেনি। হযরত মুহাম্মদ (সঃ) এর কাছে যে কোরআন এসেছিল আজ চৌদ্দশত বছর পার হওয়ার পরও তা তেমনিই আছে এবং ভবিষ্যতে একই রকম থাকবে। এর মধ্যে একটি অক্ষর যোগ করাও হয়নি। এবং একটি অক্ষর বাদ দেয়াও হয়নি।

 

সহজ সরল পথঃ ইসলাম

ইসলামে কোন রূপকথার স্থান নেই। নেই কোন কুসংস্কার কিংবা যুক্তিহীন কথা। ইসলাম বিশ্বাস করতে বলে আল্লাহকে, রাসূল (সাঃ) কে ও আখেরাতকে, এসব কিছু কোন যুক্তিহীন কথা নয়। এর পিছনে আছে সুন্দর ও বলিষ্ঠ যুক্তি।

ইসলামের প্রতিটি শিক্ষা সহজ ও সরল। ইসলাম মেনে চলতে কোন জটিলতা নেই। ইসলাম মেনে চলতে গুরু, পাদ্রী কিংবা কোন সাধুকে ধরতে হয়না। প্রতিটি মানুষ সরাসরি কোরআন থেকে শিক্ষা গ্রহণ করতে পারে এবং কোরআনের আলোকে জীবন চালাতে পারে। ইসলাম মানুষকে যুক্তিবাদী করে। তার মধ্যে সৃষ্টি করে জানার আগ্রহ।

তার  নজের যোগ্যতাকে কাজে লাগাতে উৎসাহিত করে। বাস্তবতার দৃষ্টিতে সবকিছু দেখতে শিখায়। তাইতো মুসলমানদের হাতে জ্ঞান-বিজ্ঞান পেলো উৎকর্ষতা। তাই কোরআনের দোয়া হলো-

হে প্রভু, আমার জ্ঞান বাড়িয়ে দাও

সূরা ত্বোয়া-হা-১১৪

কোরআন বলে,

যার জ্ঞান নেই এবং যার জ্ঞান আছে তারা দুজন এক সমান হতে পারেনা

সূরা যুমার-৯

আল্লাহর নবী ও বিশ্বের পথ প্রদর্শক বলেন-

জ্ঞান অর্জন করা প্রতিটি নর এবং নারীর উপর ফরজ। -ইবনু মাজাহ