ছাত্রশিবিরের আট জন নেতার খোঁজ পাবে কি তার সাথীরা


ভূমিকা


বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও আর্থসামাজিক প্রেক্ষাপটে আজ বিরাজ করছে এক ভয়াবহ গুমোট আবহাওয়া। আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোট সরকারের ক্ষমতা কুক্ষিগত করে রাখবার এক ঘৃণ্য চক্রান্তের বলী হচ্ছে সাধারণ মানুষ, বিশেষত বিরোধী মতাদর্শের মানুষ ও সংগঠনগুলো। এরই ধারাবাহিকতায় আজ বাংলাদেশের সবচেয়ে সক্রিয়, গতিশীল ও মেধাবী ছাত্র সংগঠন ইসলামী ছাত্রশিবিরের উপরও নেমে এসেছে অত্যাচারের খড়গ।

ইসলামী ছাত্রশিবির বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ ছাত্র সংগঠন। প্রায় অর্ধকোটি ছাত্রের এই সংগঠনটি ১৯৭৭ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকেই সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়বার লক্ষ্যে সৎ, দক্ষ ও দেশপ্রেমিক নাগরিক তৈরীর অঙ্গীকার নিয়ে অব্যাহতভাবে কাজ করে চলেছে। ইতোমধ্যেই শিবির এক বিরাট সংখ্যক তরুণ গড়তে পেরেছে যারা নেশামুক্ত, সন্ত্রাসমুক্ত ও ইভটিজিংসহ অন্যান্য ঘৃণ্য অপরাধ থেকেও দূরে থাকে। কিন্তু বর্তমানে প্রতিটি মূহূর্তে এই ইসলামবিরোধী সরকার তাদের সাথে অমানবিক ও অগণতান্ত্রিক আচরণ করছে। গত চারটি বছরে সারা দেশে তাদের সকল কার্যালয় বন্ধ করে রাখা হয়েছে। কোথাও কোন শান্তিপূর্ণ কর্মসূচী পালনের ন্যূনতম সুযোগও দেয়া হয় নি। শান্তিপূর্ণ ঘরোয়া বৈঠককে নাশকতার ষড়যন্ত্র ও গোপন বৈঠক আখ্যা দিয়ে নেতাকর্মীদের অহরহ গ্রেফতার করা হয়েছে। অফিস ও বাসা থেকে কুরআন, হাদীস ও ইসলামী সাহিত্য বের করে এনে “জিহাদী বই” উদ্ধারের নাটক সাজানো হচ্ছে। সংগঠনটির শীর্ষ নেতৃবৃন্দ গত তিন বছর ধরে মিথ্যা অভিযোগ ও মামলায় কারাগারে আবদ্ধ আছেন। এই অমানবিক ও স্বৈরাচারী আচরণের বিরুদ্ধে শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ করতে গেলেই নির্বিচারে চালানো হচ্ছে গুলি, একই সঙ্গে চালানো হচ্ছে গণগ্রেফতার। ইতোমধ্যে পুলিশের নির্বিচার গুলিতে শিবিরের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীসহ সারা দেশে প্রায় দুই শতাধিক মানুষের জীবনহানি ঘটেছে; শতাধিক নেতাকর্মী হাত, পা, চোখে গুলিবিদ্ধ হয়ে চিরপঙ্গুত্ব বরণ করেছেন। পুলিশের শটগান ও রাবার বুলেটসহ বিভিন্ন আগ্রাসী আক্রমণে সহস্রাধিক নেতাকর্মী আহত হয়েছেন যাদের সুচিকিৎসার জন্য হাসপাতালেও নেয়া যাচ্ছে না, কারণ সেখান থেকে গ্রেফতার করে নিয়ে যাচ্ছে পুলিশ। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, বাসাবাড়ি, মসজিদ, রাস্তাঘাটে পুলিশ ও গোয়েন্দা সংস্থার বেপরোয়া গ্রেফতারে শিবিরের নেতাকর্মী ও সমর্থকসহ প্রায় ৩৬,০০০ মানুষ আজ কারাগারে অসহনীয় যন্ত্রণায় দিনাতিপাত করছেন। মিথ্যা মামলায় হয়রানী, রিমান্ডে পৈশাচিক নির্যাতন এবং জামিন পাবার পরও জেলগেট থেকে গ্রেফতারের মত জঘন্য হয়রানি আজ নিয়মিত ঘটনায় পরিণত হয়েছে।

সরকার বাহিনীর নতুন মাত্রার নিপীড়ন “গুম” এর শিকার জনপ্রিয় বিএনপি নেতা চৌধুরী আলম, ইলিয়াস আলীসহ আরো শতাধিক মানুষের মতো শিবিরের আট জন নেতাও গোয়েন্দা সংস্থা, র‌্যাব ও পুলিশের হাতে গুম হয়েছেন, আজ দু’বছরেও যাদের কোন সন্ধান মেলে নি। তাদের মধ্যে কুষ্টিয়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের দু’জন মেধাবী ছাত্র আল মুকাদ্দাস এবং এম. ওয়ালীউল্লাহ ২০১২ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি, রাজশাহী মহানগরী শাখার দপ্তর সম্পাদক মোঃ আনোয়ারুল ইসলাম মাসুমকে চলতি বছরের ৪ এপ্রিল এবং এরও কিছুদিন আগে চলতি বছরের ২ এপ্রিল ঢাকা মহানগরী পশ্চিম শাখা শিবিরের আদাবর থানার ভারপ্রাপ্ত সভপাতি হাফেজ মো. জাকির হোসেনকেও গ্রেফতার করে নিয়ে যাওয়া হয়। আজও তাদের কোন খোঁজ মেলেনি।

এখানেই শেষ নয়! গত ২৩ জুন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই ছাত্র, শিবির নেতা মোঃ তাজাম্মুল আলী ও আজিজুল ইসলামকে ঢাকার বাড্ডা থেকে জনসমক্ষে ৮-১০ জন লোক আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য পরিচয় দিয়ে মাইক্রোবাসে করে উঠিয়ে নিয়ে যায়। এই দুজনকে খুঁজতে এসে গত ২৬ জুন রাত ৮টার দিকে রাজধানীর গুলশান থানার সামনে থেকে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখার ছাত্রকল্যাণ সম্পাদক আব্দুস সালাম ও ঢাকা মহানগরী উত্তর শাখার শিবির নেতা নুরুল আমিন গ্রেফতার হন। গুম হওয়াদের খুঁজতে এসে নিজেরাই হলেন গুমের শিকার! কী অনিশ্চিত আজব এ দেশ! এখন পর্যন্ত তাদের কোন সন্ধান পাওয়া যায়নি। এই দুজনও আইন-শৃংঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে আটক আছে বলে নির্ভরযোগ্য বিভিন্ন সূত্র নিশ্চিত করেছে।13752145651783468409

মেধাবী এইসব ছাত্রনেতার গুম হওয়ার ঘটনা এবং তাদের সংক্ষিপ্ত পরিচিতি নিচে দেওয়া হল। –


আল মুকাদ্দাস এবং এম. ওয়ালীউল্লাহ-র অপহরণ


২০১২ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় কুষ্টিয়ার আল ফিক্হ্ বিভাগের ছাত্র আল মুকাদ্দাস এবং দাওয়াহ ও ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের ছাত্র এম. ওয়ালীউল্লাহ সরকার নিয়ন্ত্রিত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে অপহৃত হন, যাদের খোঁজ আজও মেলে নি।

আল মুকাদ্দাস তার ব্যক্তিগত কাজে ২ ফেব্রুয়ারি ২০১২ তারিখে কুষ্টিয়া থেকে ঢাকায় এসেছিলেন। ওয়ালীউল্লাহ এসেছিলেন ৩ ফেব্রুয়ারি। উভয়েই কাজ শেষে ৪ ফেব্রুয়ারি মধ্যরাতে হানিফ এন্টারপ্রাইজের একটি বাসে (বাস নং ঝিনাইদহ ৩৭৫০) রওনা হন। ওয়ালীউল্লাহর নামে বাসটির ‘সি১’ ও ‘সি২’ নং সীট দু’টি বুকিং দেয়া ছিল। রাত প্রায় ১ টার দিকে সাভারে কয়েকজন র‌্যাব সদস্য এবং সাদা পোশাকের ডিবি পুলিশ বাসটিকে আটকায়। তারা ঐ দুইজনকে নামিয়ে একটি সাদা মাইক্রোবাসে উঠিয়ে নিয়ে যায়। এরপর তাদের পরিবার ও বন্ধুবান্ধবের পক্ষ থেকে তাদের খোঁজ নিতে পুলিশ, র‌্যাব এবং অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর শরণাপন্ন হলে সকলেই ঐ রাতের অভিযান এবং তাদেরকে গ্রেফতারের ঘটনা অস্বীকার করে! তারপর থেকেই এই দুই মেধাবী ছাত্র নিখোঁজ।

গুম থাকা এ দুই ছাত্রের সংক্ষিপ্ত পরিচিতিঃ

আল মুকাদ্দাস

পিতা : আব্দুল হালিম

মাতা : আয়েশা সিদ্দিকা

ঠিকানা :  গ্রামঃ কুনিয়ারি, থানা ও জেলাঃ পিরোজপুর

সেশন : ২০০৫-০৬

বিভাগ : আল ফিক্হ্

রোল : ০৫১৯০৩৮

হল কক্ষ নং : ২১১ (আন্তর্জাতিক ব্লক), বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হল

সাংগঠনিক দায়িত্বঃ বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় শাখার ক্রীড়া সম্পাদক

সহশিক্ষা কার্যক্রমঃ

নেভাল উইঙের সিইও, বিএনসিসি ইবি

সিনিয়র সদস্যঃ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ডিবেটিং ক্লাব

ভাইস প্রেসিডেন্টঃ বরিশাল জেলা ছাত্রকল্যাণ সমিতি, ইবি

এছাড়া সাংস্কৃতিক কার্যক্রমে তার সক্রিয় ভূমিকার জন্য ক্যাম্পাসে তার সুনাম ছিল।

এম. ওয়ালীউল্লাহ

পিতাঃ এম. ফজলুর রহমান

মাতাঃ আফিফা রহমান

ঠিকানাঃ গ্রামঃ শৈলজালিয়া, থানাঃ কাঁঠালিয়া, জেলাঃ ঝালকাঠি

সেশনঃ অনার্সঃ ২০০৫-০৬ (১ম শ্রেণিতে ১ম)

মাস্টার্সঃ  ২০০৯-১০

বিভাগঃ দাওয়াহ ও ইসলামিক স্টাডিজ

রোলঃ ০৯০২৪৫

হল কক্ষ নংঃ ২১১ (আন্তর্জাতিক ব¬ক), বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হল

সাংগঠনিক দায়িত্বঃ বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় শাখার অর্থ সম্পাদক

সহশিক্ষা কার্যক্রমঃ

সিনিয়র সদস্য – ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ডিবেটিং ক্লাব

ভাইস প্রেসিডেন্ট – বঙ্গবন্ধু হল ডিবেটিং সোসাইটি

প্রেসিডেন্ট – বরিশাল জেলা ছাত্রকল্যাণ সমিতি, ইবি

প্রতিক্রিয়াঃ

বিদেশি মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল, এশিয়ান হিউম্যান রাইটসসহ অনেক মানবাধিকার সংস্থাই এ গুমের সাথে সরকারী বাহিনী জড়িত থাকার সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। সেই সাথে গুম বন্ধে সরকারকে দ্রুত পদক্ষেপ নেয়ার আহ্বান জানিয়েছে। কিন্তু কারো কথাই কানে নেয় নি এই বাকশালি আওয়ামী সরকার!

নিচে উক্ত দুই ছাত্রের সন্ধান চেয়ে করা আন্দোলনের একাংশ তুলে ধরা হলঃ

১। ইবি শিক্ষক সমাজের মানববন্ধন

২। এম. ওয়ালীউল্লাহ ও আল মুকাদ্দাসের পরিবারের সদস্যদের সংবাদ সম্মেলন

৩। ইবি শিক্ষক সমিতির সংবাদ সম্মেলন (২৩ ফেব্রুয়ারি ২০১২)

৪। ইবি শিক্ষক সমাজের মানববন্ধন (২৭ ফেব্রুয়ারি ২০১২)

৫। পিরোজপুরে আল মুকাদ্দাস গুমের প্রতিবাদে সাধারণ জনগণের মানববন্ধন

৬। প্রেসক্লাবের সামনে আল মুকাদ্দাস ও এম. ওয়ালীউল্লাহ এর পরিবারের সদস্যদের মানববন্ধন

৭। এম. ওয়ালীউল্লাহ ও আল মুকাদ্দাসের মুক্তির দাবিতে ইবি’র নারী শিক্ষার্থীদের মিছিল

৮। এম. ওয়ালীউল্লাহ ও আল মুকাদ্দাসের মুক্তির দাবিতে ইবি’র সাধারণ শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ।

৯। এম. ওয়ালীউল্লাহ ও আল মুকাদ্দাসের মুক্তির দাবিতে ইবি’র সাধারণ শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ সমাবেশ

১০। এম. ওয়ালীউল্লাহ ও আল মুকাদ্দাসের মুক্তির দাবিতে ইবি’র সাধারণ শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ সমাবেশ


হাফেজ মো. জাকির হোসেন অপহরণ


ঢাকা র একটি প্রাইভেট ডেন্টাল কলেজে শেষ পর্বে অধ্যয়নরত মো. জাকির হোসেন রাজধানীর মোহাম্মদপুর এলাকা থেকে ২ এপ্রিল ২০১৩ তারিখে নিখোঁজ হন। ধারণা করা হয় সরকারের প্রত্যক্ষ ইন্ধনে বিরোধী দলীয় নেতা কর্মীদের গুম ও হত্যার মত অন্যান্য ঘটনার ন্যায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরাই মো. জাকির হোসেনকে গুম করার উদ্দেশ্যে অপহরণ করেছে।

জাকির হোসেনের বড় ভাই মো. মতিউর রহমান মোহাম্মদপুর থানায় করা জিডির দরখা¯েত (জিডি নং: ৩২৮, ০৪/০৪/১৩) উল্লেখ করেন তার ভাই ০২/০৪/২০১৩ তারিখ রাত ৮.০০ টা সময় কিছু গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র আনতে ঢাকা ডেন্টাল কলেজে যাবার জন্য মোহাম্মদপুর বাসস্ট্যান্ডের উদ্দেশ্যে বের হন। বাসা নং – ১৯/৬ টিক্কাপাড়া (৩য় তলা) মোহাম্মদপুর – এই ঠিকানার বাসা থেকে বের হওয়ার পর তার আর কোন খোঁজ পাওয়া যায় নি। থানায় ও সম্ভাব্য সকল স্থানে খোঁজ করেও তার কোন সন্ধান পাওয়া যায় নি।

জাকির হোসেন ছাত্রশিবির ঢাকা মহানগরী পশ্চিমের আদাবর থানার ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ছিলেন। ছাত্রশিবির মনে করে মো. জাকির হোসেনকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী গুম করার উদ্দেশ্যে অপহরণ করেছে । গত ২ এপ্রিল রাতে সাদা পোশাকধারী একদল আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য ও র‌্যাব-২ এর কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে জাকিরকে তার মোহাম্মদপুরের বাসার সামনে থেকে গ্রেপ্তার করে নিয়ে যায়। পরদিন বুধবার মোহাম্মদপুর শিয়া মসজিদ র‌্যাব-২ ক্যাম্প, মোহাম্মদপুর ও আদাবর থানায় জাকিরের খোঁজ নেওয়া হয়। কিন্তু র‌্যাব অফিস ও থানা পুলিশ জাকির হোসেনকে গ্রেপ্তার করেনি বলে জানায়।

এখন পর্যন্ত সেই জাকির হোসেনের কোনো খোঁজ পাওয়া যায় নি। আশঙ্কা করা হয় যে বর্তমান আওয়ামী লীগ ফ্যাসিবাদী সরকার আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে কাজে লাগিয়ে চলমান গুপ্তহত্যার অংশ হিসেবে মেধাবী ছাত্র ও উদীয়মান দন্তচিকিৎসক এই শিবির নেতাকে হত্যার উদ্দেশ্যে রাতের অন্ধকারে অপহরণ করেছে।

সংক্ষিপ্ত পরিচিতিঃ

নামঃ মোহাম্মদ জাকির হোসেন

পিতার নামঃ তাজ মোহাম্মদ

মাতার নামঃ আলেয়া খাতুন

সাংগঠনিক মানঃ সদস্য

জীবনের লক্ষ্যঃ আদর্শ দন্ত চিকিৎসক হয়ে গরীব দুখী মানুষের চিকিৎসা করা এবং আল্লাহর এই জমিনে আল কোরআনের রাজ প্রতিষ্ঠা করা।

স্থায়ী ঠিকানাঃ গ্রাম কুরিপোল ২নং ওয়ার্ড মিরপুর পৌরসভা, পোষ্ট ও থানা মিরপুর, জেলা-কুষ্টিয়া।

ভাই বোনঃ মোট সাত জন। পাঁচ ভাই দুই বোন।

ভাই বোনের ভিতর অবস্থানঃ ছয় নম্বর।

নিখোঁজের পূর্বের দায়িত্বঃ ঢাকা মহানগর পশ্চিমের আদাবর থানার ভারপ্রাপ্ত সভাপতি।

সংগঠনে যোগদানঃ ২০০০ সালে যোগদান অর্থ্যাৎ সমর্থক ২০০২ সালে কর্মী, ২০০৮ সালে সাথীএবং ২০১২ সালে সদস্য।

বিশেষ গুণাবলীঃ মাত্র দুই বছরে কোরআনে হাফেজ এবং দাখিল পরীক্ষার গোল্ডেন A+

সর্বশেষ পড়াশোনাঃ ঢাকা ইনসটিটিউট অব মেডিকেল টেকনোলজিতে ডেন্টাল ডাক্তার শেষ পর্ব এবং ঢাকা মেডিকেলকলেজে ইন্টার্নিরত।

নিখোঁজ পূর্বে স্মরণীয় বাণীঃ ষোল কোটি মানুষের দেশ প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশে আল কোরআনের পতাকা পত পত করে ওড়ানোর স্বপ্ন আর এটা ওড়াতে জীবনের শেষ রক্ত বিন্দু দিয়ে হলেও প্রাণপন চেষ্টা করে যাব।


আনোয়ারুল ইসলাম মাসুম অপহরণ


রাজশাহী কলেজের গণিত বিভাগে মাস্টার্সে অধ্যয়নরত আনোয়ারুল ইসলাম মাসুম ৪ এপ্রিল ২০১৩ তারিখ দিবাগত রাতে গ্রেফতার হন। রাত আড়াইটায় তার মামা ফজলুর রহমানের বাসার (বিলসিমলা এলাকার ১৭৫ নং বাসা) কলাপ্সিবল গেটের তালা ও গেটের অংশবিশেষ ভেঙ্গে র‌্যাব-৫ এর পরিচালক আনোয়ার খান লতিফের নেতৃত্বে নাহিদ ও বুলবুল সহ ৪০-৫০ জনের একটি দল প্রবেশ করে। এক পর্যায়ে ঘরের দরজা ভেঙ্গে ঘুমন্ত অবস্থায় তারা আনোয়ারুল ইসলাম মাসুমকে গ্রেফতার করে অন্য একটি ঘরে নিয়ে দরজা বন্ধ করে প্রায় এক ঘণ্টা সময় জিজ্ঞাসাবাদের নামে নির্যাতন করে। পরে র‌্যাব সদস্যরা নিজেদের অস্ত্র সামনে নিয়ে নিজেরাই ছবি তোলে। মাসুমকে নিয়ে যাওয়ার সময় তার ল্যাপটপ, মোবাইলসহ কিছু ব্যক্তিগত ব্যবহৃত জিনিসপত্র নিয়ে যায়। পরবর্তীতে ৮-১০ জন ডিবি পুলিশসহ র‌্যাব সদস্যদের ঐ দলটি ভোর ৫.১৫ মিনিটে নগরীর সাহাজিপাড়ায় অবস্থিত এক ছাত্রাবাসে (হোল্ডিং নম্বর ৪৫) মাসুমকে হাতকড়া পরা অবস্থায় সঙ্গে বিভিন্ন রুমে তল্লাশি চালায়। এসময় ছাত্রাবাসে অবস্থানরত কয়েকজন ছাত্র মাসুমকে চিনতে পারে। কিন্তু এর পরদিন মাসুমের পরিবার র‌্যাব-৫ এর অফিসে তার খোঁজে গেলে তারা গ্রেফতারের বিষয়টি পুরোপুরি অস্বীকার করে। গ্রেফতারের ২৪ ঘণ্টা পেরিয়ে যাওয়ার পরও তাকে আদালতে হাজির করা না হলে ৭ এপ্রিল ২০১৩ তারিখ বিকাল ৩ টায় রাজশাহীতে তথ্য-প্রমাণসহ তার পরিবারের সদস্যরা সংবাদ সম্মেলন করে।

কিন্তু এখনও পর্যন্ত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সেই অপারেশনের কথা অস্বীকার করে চলেছে। কেউ জানে না মাসুম আদৌ বেঁচে আছেন কিনা।

সংক্ষিপ্ত পরিচিতিঃ

নামঃ আনোয়ারুল ইসলাম মাসুম

পিতাঃ মো. ইসরাইল হোসেন

মাতাঃ নূরজাহান বেগম

ঠিকানাঃ গ্রামঃ আঙ্গারিয়া পাড়া, ডাকঘরঃ নামশংকরবাটি, থানা ও জেলাঃ চাঁপাই নবাবগঞ্জ

পড়াশোনাঃ মাস্টার্স, গণিত বিভাগ, রাজশাহী কলেজ।

উল্লেখ্য, আনোয়ারুল ইসলাম মাসুম ইসলামী ছাত্রশিবির রাজশাহী মহানগর শাখার দফতর সম্পাদক।

প্রতিক্রিয়াঃ

১। আনোয়ারুল ইসলাম মাসুমের পরিবারের সদস্যদের সংবাদ সম্মেলন

২। আনোয়ারুল ইসলাম মাসুমের পরিবারের সদস্যদের আরেকটি সংবাদ সম্মেলন

৩। আনোয়ারুল ইসলাম মাসুমের সন্ধানের দাবীতে তিন জেলায় সকাল-সন্ধ্যা হরতাল

৪। আনোয়ারুল ইসলাম মাসুমের মুক্তির দাবীতে সড়ক অবরোধ ইত্যাদি


যেভাবে অপহৃত হন তাজাম্মুল ও আজিজুল


গত ২৩ জুন রাত ১১.৩০ টায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের ২০০৭-০৮ সেশনের মাস্টার্সের মেধাবী ছাত্র রাবি শাখা ছাত্রশিবিরের অর্থ সম্পাদক মো. তাজাম্মুল আলী, আরবী বিভাগের ২০০৫-০৬ সেশনের মাস্টার্সের মেধাবী ছাত্র রাবি শিবিরের ছাত্র আন্দোলন সম্পাদক মো. আজিজুর রহমান আরবী বিভাগের চতুর্থ বর্ষের ছাত্র হবিবুর রহমান হল সভাপতি ইসমাঈল হোসেন এর চিকিৎসা ও ব্যক্তিগত কাজে হানিফ বাসে করে বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন বিনোদপুর কাউন্টার থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে যাত্রা করেন। ২৪ জুন তারা আজিজুর রহমান ভাইয়ের বন্ধু পিপলস্ ইউনিভার্সিটির এক শিক্ষক-এর সাথে সাক্ষাৎ শেষে ভবন থেকে বাহির হবার পর গাড়ির জন্য অপেক্ষমান অবস্থায় বিকেল ৫.১৫ টার দিকে সাদা পোষাকধারী আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহীনির সদস্য পরিচয়ে ৮-১০জন লোক তাজাম্মুল আলী ও আজিজুর রহমানকে আটক করে এসময় ইসমাঈল দূরে থাকায় দৌড়ে পালিয়ে যেতে সক্ষম হন। তাদেরকে আটকের খবর বিভিন্ন গণমাধ্যমেও প্রকাশিত হয়েছে। কিন্তু আটকের পর তাদের কোথায় রাখা হয়েছে, সে বিষয়ে এই ভাইদের পরিবার ও সংগঠনের পক্ষ থেকে শত চেষ্টার পরও কোন খোঁজ পাওয়া যায়নি।

তাজাম্মুল ও আজিজুর ভাই-এর সংক্ষিপ্ত পরিচিতিঃ

তাজাম্মুল আলী

পিতার নাম ও  পেশাঃ মাওলানা হযরত আলী; শিক্ষক

মাতার নাম, পেশাঃ হালিমা খাতুন; গৃহিনী

স্থায়ী ঠিকানাঃ গ্রাম: রত্নের সরপুর, ডাক: নের গুড়ার হাট, থানা: মনিরামপুর, জেলা: যশোর

জন্ম তারিখঃ ০১.০৩.১৯৮৯

লেখাপড়াঃ ইসলামিক স্টাডিজ, মাস্টার্স, রাবি। সেশন: ২০০৭-০৮।

সাংগঠনিক মান ও দায়িত্বঃ সদস্য, অর্থ সম্পাদক, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা শিবির।

আজিজুর রহমান

পিতার নাম ও  পেশাঃ মাওলানা আব্দুস সালাম; শিক্ষক

মাতার নাম, পেশাঃ আমিনা খাতুন; গৃহিণী

স্থায়ী ঠিকানাঃ গ্রাম: বাহের কেদার, ডাক: কেদার, থানা: কচাকাটা, জেলা: কুড়িগ্রাম

জন্ম তারিখঃ ০১.০৩.১৯৮৫

লেখাপড়াঃ আরবি, মাস্টার্স, রাবি। সেশন- ২০০৫-০৬।

সাংগঠনিক মান ও দায়িত্বঃ সদস্য, ছাত্রকল্যাণ সম্পাদক, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা শিবির।

তাদেরকে খোঁজার যত চেষ্টা:

তাদেরকে আটকের খবর বিভিন্ন গণমাধ্যমেও প্রকাশিত হয়েছে। কিন্তু আটকের পর তাদের কোথায় রাখা হয়েছে, সে বিষয়ে এই ভাইদের পরিবার ও সংগঠনের পক্ষ থেকে শত চেষ্টার পরও কোন খোঁজ পাওয়া যায়নি। ২৬ জুন ২০১৩ তারিখে থানায় তাজাম্মুল আলী ও আজিজুর রহমানের জন্য সাধারণ ডায়েরী করা হয়। সূত্র: গুলশান থানার সাধারণ ডায়েরী নং- ১৭২১, তাং ২৬.০৬.১৩ ইং। ২৭ জুন দুই পরিবারের পক্ষ থেকে নিখোঁজ সনÍানদের সন্ধান চেয়ে জাতীয় প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেন তাজাম্মুল আলীর পিতা মাওলানা হযরত আলী।

প্রতিবাদ ও প্রতিক্রিয়া:

– রাবির আরবি ও ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী এবং রাবি শাখা শিবিরের পক্ষ থেকে আলাদা ভাবে বিভাগীয় সভাপতি, অনুষদ ডীন এবং উপাচার্য বরাবর স্মারকলিপি পেশ

– ৩ জুন নিখোঁজ আট নেতার সন্ধান দাবিতে সারাদেশে সকাল-সনধ্যা হরতাল পালন করা হয়।


যেভাবে অপহৃত হন আব্দুস সালাম ও নুরুল ইসলাম


ইতোমধ্যে নিখোঁজ তাজাম্মুল আলী ও আজিজুর রহমানের খোঁজখবর এবং থানায় ডায়েরী করার উদ্দেশ্যে ২৬ জুন নিখোঁজদের পরিবারের সদস্যরা ঢাকায় যান। তাদেরকে সহযোগিতা ও সার্বিক বিষয়ে খোঁজখবরের জন্য আইন ও বিচার বিভাগের ২০০৭-০৮ সেশনের মাস্টার্সের মেধাবী ছাত্র রাবি শিবিরের ছাত্রকল্যাণ সম্পাদক মো. আব্দুস সালামকে ঢাকায় পাঠানো হয়। ২৬ জুন ২০১৩ তারিখ রাত আটটার দিকে তাজাম্মুল আলী ও আজিজুর রহমানের নিখোঁজ বিষয়ে গুলশান থানায় সাধারণ ডায়েরী দায়ের করা শেষে বেরিয়ে আসার সময় থানার অদূর নিকট এলাকা থেকে মো. আব্দুস সালামকে একই কায়দায় তুলে নিয়ে যাওয়া হয় তার সঙ্গে থাকা শিবিরের স্থানীয় এক থানা সভাপতি মো: নুরুল আমিনসহ। ঘটনাটি ঘটে গুলশান থানার সামনে জনসমক্ষে।

আব্দুস সালাম ও নূরুল আমিন ভাই-এর সংক্ষিপ্ত পরিচিতিঃ

মো. আব্দুস সালাম

পিতার নাম ও  পেশাঃ মো. আফাজ উদ্দীন, চাকুরিজীবি

মাতার নাম, পেশাঃ অজুফা বেগম; গৃহিনী

স্থায়ী ঠিকানাঃ গ্রাম: ধরমপুর, ডাক: বিনোদপুর, থানা: মতিহার, জেলা: রাজশাহী।

জন্ম তারিখঃ ২৫.১২.১৯৮৯

লেখাপড়াঃ আইন ও বিচার বিভাগ, মাস্টার্স, রাবি। সেশন: ২০০৭-০৮।

সাংগঠনিক দায়িত্বঃ ছাত্রকল্যাণ সম্পাদক, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা শিবির।

নুরুল আমিন

পিতার নাম ও  পেশাঃ মরহুম মোঃ হাবিবুর রহমান

মাতার নাম, পেশাঃ মৃত নূরজাহান বেগম

স্থায়ী ঠিকানাঃ বড় হাটবিলা, ডাক: এলেনজুড়ি, থানা: ইটনা, জেলা: কিশোরগঞ্জ।

জন্ম তারিখঃ ০১.০৩.১৯৮৫

লেখাপড়াঃ ব্যবস্থাপনা বিভাগ, মাস্টার্স, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়। সেশন- ২০০৭-০৮।

সাংগঠনিক দায়িত্বঃ সভাপতি, ভাটারা থানা, ঢাকা মহানগরী উত্তর।

তাদেরকে খোঁজার যত চেষ্টা:

তাদেরকে আটকের খবর বিভিন্ন গণমাধ্যমেও (যেমন: ৭১ টিভি, ইনডিপেনডেন্ট টিভি, এসএ টিভি, আরটিভি, এনটিভি, সময়টিভি, মাইটিভি, চ্যানেল-আইসহ অন্যান্য টিভি মিডিয়া, অধিকাংশ জাতীয় দৈনিক, অধিকাংশ অনলাইন দৈনিক) প্রকাশিত হয়েছে। কিন্তু আটকের পর তাদের কোথায় রাখা হয়েছে, সে বিষয়ে এই ভাইদের পরিবার ও সংগঠনের পক্ষ থেকে শত চেষ্টার পরও কোন খোঁজ পাওয়া যায়নি। পরে আব্দুস সালাম ভাইয়ের জন্য তার পরিবারের পক্ষ থেকে মতিহার থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী করা হয়। সূত্র: মতিহার থানার সাধারণ ডায়েরী নং- ১১১৭, তাং- ২৭.০৬.১৩ ইং। পুলিশ বা র‌্যাব কেউ এখনো তাদেরকে আটকের বিষয়টি স্বীকার করেনি। নিয়মানুযায়ী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আটককৃতদের আদালতে হাজির করার বিধান থাকলেও আজ পাঁচ দিন পরও তা করেনি।

প্রতিবাদ ও প্রতিক্রিয়া:

– রাবির আইন বিভাগের শিক্ষার্থী এবং রাবি শাখা শিবিরের পক্ষ থেকে আলাদা ভাবে বিভাগীয় সভাপতি, অনুষদ ডীন এবং উপাচার্য বরাবর স্মারকলিপি পেশ।

– ৩ জুন নিখোঁজ আট নেতার সন্ধান দাবিতে সারাদেশে সকাল-সনধ্যা হরতাল পালন করা হয়।


নবরূপে বাকশাল


সরকারের অন্যায়-অবিচার, জেল-জুলুম, গুম-হত্যার সংবাদ প্রচারের দায়ে নানা ঠুনকো অজুহাতে বন্ধ করে দেয়া হয়েছে দর্শকপ্রিয় টিভি চ্যানেল দিগন্ত টিভি, ইসলামিক টিভি, চ্যানেল ওয়ান। বন্ধ হয়েছে শীর্ষ নিউজ। সরকারী দলের লোকদের মালিকানাধীন বাকি সব টিভি আজ বিটিভি তে পরিণত হয়েছে। এখন কেউ গুম হলে তার সংবাদটুকুও আর আসে না গণমাধ্যমে! বড় অসহায় আজ বাংলাদেশের সাধারণ মানুষ। কেউ জানে না কোন পথে যাচ্ছে বাংলাদেশ।


উপসংহার


যে সময়টিতে একজন ছাত্রের পড়াশোনার টেবিলে মনোনিবেশ করবার কথা ছিলো, সে সময়ে তাকে গ্রেফতার এড়ানোর জন্য পালিয়ে বেড়াতে হচ্ছে। কোন ভাবে গ্রেফতার হলেই নেমে আসছে নরকসম যন্ত্রণা। আর গুম হয়ে গেলে পরিবার ও শুভাকাঙ্খীদের মানসিক যাতনা ভুক্তভোগী ছাড়া আর কেউ জানে না। একটি গণতান্ত্রিক দেশে শুধুমাত্র বিরোধী মতাদর্শ ধারণ করার কারণে টগবগে যুবকেরা চিরতরে নিরুদ্দেশ হয়ে যাবে, এটি কোন ভাবেই মেনে নেয়া যায় না। সব মিলিয়ে দেশে এক অসহনীয় ও অমানবিক পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছে। দেশের সত্যিকার কল্যাণ, গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রাকে অব্যাহত রাখা এবং ইসলামকে সমুন্নত রাখবার জন্য যেখান থেকে বেরিয়ে আসা খুবই জরুরী। এমন পরিস্থিতিতেও যদি আজ জনতা রুখে না দাঁড়ায়, তাহলে আর কবে? আসুন, উচ্চ কণ্ঠে প্রতিবাদ জানাই এই জঘন্য অন্যায়ের। তীব্র প্রতিরোধ গড়ে তুলি আওয়ামী জালিমদের বিরুদ্ধে।


About শিবির অনলাইন লাইব্রেরী