আসহাবে রাসূলের জীবনকথা – ষষ্ঠ খণ্ড

সম্পুর্ণ সূচীপত্র

সাফিয়্যা (রা) বিনত ‘আবদিল মুত্তালিব


হযরত সাফিয়্যা (রা) ও হযরত রাসূলে কারীমের (সা) বংশ ও পূর্বপুরষি এক ও অভিন্ন। কারণ হযরত সাফিয়্যা (রা) ‘আবদুল মুত্তালিবের কন্যা এবং রাসূলুল্লাহর (স) ফুফু। অন্যদিকে রাসূলুল্লাহর (সা) মায়ের সৎ বোন হালা বিনত ওয়াহাব ছিলেন সাফিয়্যার মা। সুতরাং এ দিক দিয়ে সাফি্য়্যার মা রাসূলূল্লাহর (সা) খালা।[উসুদুল গাবা-৫/৮৯২; আল-ইসাবা-৪/৩৪৮] উহুদের শহীদ সায়্যিদুশ শুহাদা হযরত হামযা (রা) তাঁর ভাই। দুইজন একই মায়ের সন্তান।[হাতজীবুল আসমা‘ ওয়াল লুগাত-১/৩৪৯]

জাহিলী যুগে আবু সুফইয়ান ইবন হারবের ভাই হারিছ ইবন হারবের সাথে তাঁর বিয়ে হয়। তার ঔরসে এক ছেলের জন্ম হয়। হারিছের মৃত্যুর পর ‘আওয়াম ইবন খুওয়াইলিদের সাথে দ্বিতীয় বিয়ে হয় এবং এখানে যুবাইর, সায়িব ও ‘আবদুল কা‘বা- এ তিন ছেলের মা হন।[তাবাকাত-৮/৪২] উল্লেখ্য যে এই ‘আওয়াম ছিলেন উম্মুল মুমিনীন হযরত খাদীজাতুল কুবরা‘র (রা) ভাই। অতএব দেখা যাচ্ছে তিনি ‘আশারা মুবাশশারার অন্যতম সদস্য হযরত যুবাইর ইবনুল ‘আওয়ামের গর্বিত মা এবং জুলুম-নির্যাতনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী কণ্ঠ ও স্বৈাচারী ইয়াযীদের বাহিনীর হাতে শাহাদাত প্রাপ্ত প্রখ্যাত সাহাবী আবদুল্লাহ ইবন যুবাইরের দাদী।

হযরত সাফিয়্যা (রা) ইসলাম গ্রহণ করেন। রাসূলুল্লাহর (সা) ফুফুদের ইসলাম গ্রহণের ব্যাপারে সীরাত বিশেষজ্ঞদের মতপার্থক্য আছে। একমাত্র তাঁর ইসলাম গ্রহণের ব্যাপারে বিশেষজ্ঞদের মত কোন দ্বিমত নেই। ইবন সা‘দ আরওয়া, ‘আতিকা ও অন্য ফুফুদের ইসলাম গ্রহণের কথা বলেছেন। তবে সত্য এই যে, একমাত্র সাফিয়্যা ছাড়া অন্যরা ইসলাম গ্রহণ করেননি। ইবনুল আছীর একথাই বলেছেন।[উসুদুল গাবা ৫/৪৯২; তাহজীবুল আসমা‘ ওয়ললুগাত-১/৩৪৯,] তাঁর হিজরাত সম্পর্কে শুধু এতটুকু জান যায় যে, তিনি স্বামী ‘আওয়ামের সাথে মদীনায় হিজরাত করেন। ইবন সা‘দ শুধু এতটুকু বলেছেন : [তাবাকাত-৮] (আরবী*****) ‘তিনি মদীনায় হিজরাত করেন।’

হযরত ‘আয়িশা (রা) বলেন, মক্কায় যখন রাসূলুল্লাহর (সা) নিকট এ আয়াত (আরবী*******) [সূরা আশ-শু‘আরা’ -২১৪] নাযিল হয় তখন তিনি দাঁড়িয়ে এভাবে সম্বোধন করেন : [সিয়ারু আ‘লাম আন-নুবালা-২/২৭১]

-‘হে ফাতিমা বিনত মুহাম্মাদ, হে সাফিয়্যা বিনত ‘আবদিল মুত্তালিব, হে ‘আবদুল মুত্তালিবের বংশধরেরা, আমি আল্লাহর কাছে তোমাদের ব্যাপারে কিছুই করতে পারবো না। তোমরা আমার ধন-সম্পদ থেকে যা- খুশি চাইতে পার।’

তিনি কয়েকটি জিহাদে অংশগ্রহণ করেন। উহুদ যুদ্ধে মহিলাদেরকে কবি হাসসান ইবন ছাবিতের (রা) ফারে’ দুর্গে নিরাপত্তার জন্যে রেখে যান। এই ফারে‘ দুর্গকে ‘উতুম’ দুর্গও বলা হতো। তাঁদের সাথে হযরত হাসসানও ছিলেন। এই মহিলাদের মধ্যে হযরত সাফিয়্যাও ছিলেন। একদিন এক ইহুদীকে তিনি দুর্গের আশে-পাশে ঘুর ঘুর করতে দেখলেন। তিনি প্রমাদ গুণলেন, যদি সে মহিলাদের অবস্থান জেনে যায় ভীষণ বিপদ আসতে পারে। কারণ, রাসূষ (সা) তাঁর বহিনীসহ তখন জিহাদের ময়দানে অবস্থান করছেন। হযরত সাফিয়্যা (রা) বিপদের ভয়াবহতা উপলব্ধি করে হাসসানকে বললেন, এই ইহুদীকে হত্যা কর। তা না হলে সে আমাদের অবস্থানের কথা অন্য ইহুদীরেদকে জানিয়ে দেবে। হাসসান (রা) বললেন, আপনার জানা আছে, আমার নিকট এর কোন প্রতিকার নেই। আমার যদি সেই সাহস থাকতো তাহলে আমি রাসূলুল্লাগর (সা) সাথেই থাকতাম। সাফিয়্যা তখন নিজেই তাঁবুর একটি খুঁটি হাতে নিয়ে ইহুদীর উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে তাকে হত্যা করেন। তারপা হাসসানকে (রা) বলেন, যাও, এবার তার সঙ্গের জিনিসগুলি নিযে এসো। যেহেতু আমি নারী, আর সে পুরুষ, তাই একাজটি আমার দ্বারা হবে না। এ কাজটি তোমাকে করতে হবে। হাসসান বললেন, ঐ জিনিসের প্রয়োজন নেই।[তাবাকাত-৮/৪১; কানযুল ‘উম্মাল-৭/৯৯; সীরাতু ইবন হিশাম-২/২২৮; আল-আগানী-৪/১৬৪; আল-বিদায়া-৪/১০৮]

অন্য একটি বর্ণনায় এসেছে। সাফিয়্যা (রা) লোকটিকে হত্যার পর মাথাটি কেটে হাসসানকে বলেন, ধর, এটা দুর্গের নীচে ইহুদীদের মধ্যে ফেলে এসো। তিনি বললেন : এ আমার কাজ নয়্ অতঃপর সাফিয়্যা নিজেই মাথাটি ইহুদীদের মধ্যে ছুঁড়ে মারেন। আর ভয়ে তারা ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়। পরবর্তীকালে সাফিয়্যা (রা) বলতেন : (আরবী*********)

‘আমিই প্রথম মহিলা যে একজন পুরুষকে হত্যা করেছে।’ একথা উরওয়া বর্ণনা করেছেন।[উহুদ যুদ্ধ হয খন্দক যুদ্ধের পূর্বে। এই উহুদ যুদ্ধেও হযরত সাফিয়্যা অংশগ্রহণ করেন এবং সাহসিকতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন। এই যুদ্ধের এক পর্যায়ে মুসলমানরা কুরাইশ বাহিনীর আক্রমণে বিক্ষিপ্ত হয়ে পড়ে এবং পালাতে থাকে। তখন মূলত এক রকম পরাজয়ই ঘটে গিয়েছিল। তখন হযরত সাফিয়্যা (রা) হাতে একটি নিযা নিয়ে রণক্ষেত্র থেকে পলায়নপর সৈনিকদের যাকে সামনে পাচ্ছিলেন, পিটাচ্ছিলেন, আর উত্তেজিত কণ্ঠে বলছিলেন- তোমরা রাসূলুল্লাহকে (সা) ফেলে পালাচ্ছো? এ অবস্থা তিনি রাসূলুল্লাহর (সা) দৃষ্টিতে পড়েন। রাসূল (সা) যুবাইরকে বলেন, তিনি যেন হামযার লাশ দেখতে না পান। কারণ, কুরায়শরা লাশের সাথে অমানবিক আচরণ করে। কেটে-কুটে তারা লাশ বিকৃত করে ফেলে। ভাইয়ের লাশের এমন বিভৎস অবস্থা দেখে তিনি ধৈর্যহারা হয়ে পড়তে পারেন, এমন চিন্তা করেই রাসূল (সা) যুবাইরকে এ নির্দেশ দেন। রাসূলুল্লাহর (সা) নির্দেশ মত যুবাইর (রা) মার নিকট এসে বলেন, মা, রাসূল (সা) আপনাকে ফিরে যাবার জন্য বলছেন। জবাবে তিনি বলেন, আমি জেনেছি, আমার ভাইয়ের লাশ বিকৃত করে ফেলা হয়েছে। আল্লাহ জানেন, আমার ভাইয়ের লাশের সাথে এমন আচরণ আমার মোটেও পছন্দ নয়, তবুও আমি অবশ্যই ধৈর্য ধারণ করবো। ইনশাআল্লাহ নিজেকে নিয়র্ত্রণে রাখবো। মায়ের এসব কথা যুবাইর (রা) রাসূলকে (সা) জানালেন। তারপর তিনি সাফিয়্যাকে (রা) ভাইয়ের লাশের কাছে যাবার অনুমতি দান করেন। হযরত সাফিয়্যা ভাইয়ের লাশের নিকট যান এবং দেহের টুকরো টুকরো অংশগুলি দেখেন। নিজেকে পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রাখেন। মুখে শুধু (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্ন ইলাইহি রাজি‘উন) উচ্চারণ করে তাঁর মাগফিরাত কামনা করে দু‘আ করতে থাকেন। তিনি চলে যাবার পর রাসূল (সা) হযরত হামযার (রা) লাশদাফনের নির্দেশ দান করেন।[তাবাকাত-৮/৪২; উসুদুল গাবা-৫/৪৯২]

রাসূল (সা) সেদিন বলেছিলেন, যদি সাফিয়্যার কষ্ট না হতো এবং আমার পরে একটা রীতিতে পরিণত হওয়ার আশঙ্কা না থাকতো তাহলে হামযার লাশ এভাবে ময়দানে ফেলে রাখতাম। পশু-পাখীতে খেয়ে ফেলতো।[সীরাতু ইবন হিশাম-২/৯৫]

হযরত সাফিয়্যার (রা) জীবিকার জন্যে রাসূল (সা) খাইবার বিজয়ের পর সেখানে উৎপাদিত ফসল থেকে বাৎসরিক চল্লিশ ওয়াসক শস্য নির্ধারণ করে দেন।[তাবাকাত-৮/৪১]

হযরত ‘উমারের (রা) খিলাফতকালে হিজরী ২০ সনে ৭৩ (তয়াত্তর) বছর বয়সে মদীনায় ইনতিকাল করেন। বাকী’ গোরস্তানে মুগীরা ইবন শু‘বার আঙ্গিনায় অজুখানার পাশে তাঁকে দাফন করা হয়। অনেকে বলেছেন, তাঁর থেকে রাসূলুল্লাহর (সা) বেশ কিছু বর্ণিত হয়েছে।[প্রাগুক্ত-৮/৪২; তাহজীবুল আসমা’ ওয়াললুগাত-১/৩৪৯; আল-ইস্তীআব (আল-ইসাবার পার্শ্ব টীকা-৪/৩৪৫] একথা সঠিক নয়।

কাব্য প্রতিভা

হযরত সাফিয়া (রা) কুরায়শ গোত্রে হাশিমী শাখার একজন মহিলা কবি এব একজন সুবাষিণী মহিলা। জিহাদ ও অন্যান্য সৎকর্মের জন্যেও খ্যাতি অর্জন করেন। আরবী ভাষাকে বেশ ভালো মতই আয়ত্তে আনেন। তাঁর মুখ থেকে অবাধ গতিতে কবিতার শ্লোক বের হতো। সেই সব শ্লোক হতো চমৎকার ভাব বিশিষ্ট, প্রঞ্জল ও সাবলীল; কোমল, সত্য ও সঠিক আবেগ-অনুভূতি এবং চমৎকার বীরত্ব ও সাহসিকতায় পরিপূর্ণ। বর্ণিত হয়েছে, তিনি যখন তাঁর ছোট্ট শিশু সন্তান আয-যুবায়রকে কোলে নিয়ে দোলাতেন তখন তাঁর মুখ থেকে বীরত্ব ব্যাঞ্জক শ্লোক অবাধে বের হতে থাকতো।[সিয়ারু আলাম আনা-নুবালা-১/৪৫]

ইতিহাস ও সীরাতের (চরিত অভিধান) গ্রন্থসমূহে হযরত সাফিয়্যা (রা) যে সকল কবিতার সংরক্ষিত দেখা যায় তাতে তিনি যে আবরের একজন বড় মহিলা কবি ছিলেন তাতে কোন সন্দেহ নেই। বিশেষতঃ মরসিয়া রচনায় তাঁর সাফল্য লক্ষ্য করার মত। এ কারণে অনেকে তাকে (আরবী****) বা ‘কুরায়শ বংশের খানসা’ অভিধায় ভূষিত করেন।[নিসা’ মিন ‘আসরিন নুবুওয়াহ্-৪১৯]

আল্লামা সুয়ূতী ‘আদ-দুররুল মানছুর’ গ্রন্থে বলেছেন :[ আদ-দুরারুল মানছুর-২৬১]

‘তিনি একজন বিশুদ্ধ ও প্রাঞ্জলভাষী কবি ছিলেন। কথা, কর্মে, সম্মান-মর্যাদা ও বংশ গৌরবে তিনি গোটা আরববাসীর নিকট বিশেষ বৈশিষ্টের অধিকারিণী ছিলেন।’

আব্দুল মুত্তালিবের মৃত্যুর পর সাফিয়্যা (রা) তাঁর বোনদের ও বানু হাশিমের মেয়েদের সমবেত করে একটি শোক অনুষ্ঠানের মত করেন। সেই অনুষ্ঠানে অনেক মহিলা স্বরচিত মরসিয়া পাঠ করেন। বিভিন্ন গ্রন্থে সেই মরসিয়াটি সংকলিত হয়েছে।[দ্রষ্টব্য :সীরাত ইবন হিশাম- ১/১৬৯-১৭৪]

তার দুটি শ্লোক নিম্নরূপ : (আরবী*************************)

উঁচু ভূমির এক ব্যক্তির জন্যে রাত্রিকালীন

বিলাপকারিণীর আওয়াজে আমি জেগে উঠি

অতঃপর আমার দু‘গণ্ড বেয়ে এমনভাবে অশ্রু গড়িয়ে

পড়লো যেমন ঢালু স্থান থেকে মতি গড়িয়ে পড়ে।

রাসূলুল্লাহ (সা)-এর ইনতিকালের পর তিনি একটি শোকগাঁথা রচনা করেন। তার কিছু অংশ বিভিন্ন গ্রন্থে দেখা যা। তার কয়েকটি শ্লোক এখানে তুলে ধরা হলো :[সিয়ারু আ‘লাম আন-নুবালা-২/২৭১; দ্রষ্টব্য : হায়াতুস সাহাবা-৩/৩৪৭-৩৪৮](আরবী*****)

 ‘হে আমার চক্ষু! অশ্রু বর্ষণ ও রাত্রি জাগরণের

ব্যাপারে বদান্যতা দেখাও। একজন সর্বোত্তম মৃত,

হারিয়ে যাওয়া ব্যক্তির জন্যে বিলাপ কর

প্রচণ্ড দুঃখ- বেদনা সহকারে মুহাম্মাদ আল-মুসতাফার

স্মেরণে বিলাপ কর। যে দুঃখ-বেদনা অন্তরে মিলে

মিশে একাকার হয়ে তাকে ঠেস দিয়ে বসানো

রোগগ্র্ত ব্যক্তির মত করে দিয়েছে।

আমার জীবন আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল-

যখন তাঁর সেই নির্ধারিত মৃত্যু এসে যায়,

যা একটি মহা সম্মানিত গ্রন্থে লিপিবদ্ধ আছে।

তিনি ছিলেন মানু্যের প্রতি কোমল,

দয়ালু ও সর্বোত্তম পথ প্রদর্শক।

জীবন ও মৃত্যু- সর্বাসস্থায় আল্লাহ তাঁর প্রতি সদয় থাকুন

এবং সেই চিরন্তন দিনে আল্লাহ তাঁকে দান করুন জান্নাত।’

হযরত রাসূলে কারী (সা)- এর স্মরণে রচিত আরেকটি শোকগাঁথার কয়েকটি শ্লোক নিম্নরূপ :[শা’ইরাতুল  ‘আরাব-২০২-২০৫] (আরবী**********)

‘হে আল্লাহর রাসূল! আপনি ছিলেন আমাদের আশা-ভরসা। আপনি ছিলেন আমাদের সাথ সদাচরণকারী এবং ছিলেন না কঠোর।

আপনি ছিলেন দয়ালু, পথের দিশারী ও শিক্ষক। যে কোন বিলাপকারীর  আজ আপনার জন্যে আমার মা, খালা, চাচা, মামা এবং আমার জীবন ও ধন-সম্পদ সবই উৎসর্গ হোক।

মানব জাতির প্রতিপালক যদি আমাদের নবীকে চিরকাল বাঁচিয়ে রাখতেন, আমরা সৌভাগ্যবান হতাম। কিন্তু তাঁর সিদ্ধান্ত তো পূর্বেই হয়ে আছে।

আপনার সম্মানে আল্লাহর পক্ষ থেকে আপনার প্রতি সালাম বর্ষিত হোক! আর সন্তুষ্টচিত্তে আপনি চিরস্থায়ী জান্নাতে প্রবেশ করুন।’

উহুদ যুদ্ধে যখন মুসলিম সৈনিকরা বিপর্যস্ত অবস্থায় রাসূল (সা) থেকে দূরে ছিটকে পড়ে তখন হযরত সাফিয়্যা যে সাহসের পরিচয় দেন তা পূর্বেই আলোচনা করেছি। সে সময় তিনি হামযার (রা) স্মরণে একটি কবিতাও রচনা করেন। তাতে একটি চিত্র তুলে ধরেন তার একটি বয়েত নিম্নরূপ :[আল-ইসাবা-৪/৩৪৯] (আরবী*******)

‘আর আপনার উপর এমন একটি দিন এসেছে- যে দিনের সূর্য অন্ধকার হয়ে গেছে, অথচ তা ছিল আলোকোজ্জ্বল।’

About ড. মুহাম্মদ আবদুল মাবুদ